
তানহা আহমেদ- বার্তা প্রতিনিধি: বাংলাদেশের খ্যাতনামা ও জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী কনার গ্রামের বাড়ি গাজীপুরে। যদিও তিনি ঢাকায় থাকেন, কিন্তু ঈদ উৎসবে কিছুটা সময় হলেও তিনি দাদাবাড়ি থেকে ঘুরে আসেন। বিশেষ করে কোরবানির ঈদের সময়টা তিনি গ্রামেই কাটিয়ে থাকেন। কিন্তু এবার আর এমনটি হয়নি।
Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!তিনি বাংলার বার্তা টুয়েন্টি ওয়ানকে বলেন, ‘বড় আপুর শরীরটা ভালো নেই। কদিন ধরেই তিনি হাসপাতালে ভর্তি আছেন। পরিবারের সবাই খুব দুঃশ্চিন্তার মধ্যে আছি। পরিবারে কেউ অসুস্থ থাকলে, বাসার সবার মধ্যেই দুঃশ্চিন্তা কাজ করে। তখন কোনো আনন্দই, আনন্দ মনে হয় না। ঈদের আনন্দটাও ফিকে হয়ে গেছে আমাদের কাছে।’
এই খ্যাতনামা শিল্পি আরও বলেন, ‘প্রতি বছর ঈদে বা ঈদের পর দিন আমরা দাদুবাড়ি চলে যাই। গ্রামের আত্মীয়-স্বজনদের সঙ্গে কিছুটা সময় কাটানো হয়। এরপর আমার শো থাকলে আমি ঢাকায় চলে আসি। আর আমরা সেখানেই কোরবানি দিয়ে থাকি। এবারও তাই হয়েছে। মূলত, কোরবানির ঈদ আমাদের সেখানেই উদ্যাপন করা হয়। কিন্তু এবার আব্বা ছাড়া পরিবারের আর কারও গ্রামে যাওয়া হয়নি। আপুর অসুস্থতার কারণে আমরা সবাই ঢাকাতেই ছিলাম। সব কিছু এলোমেলো হয়ে গেল।
এবার ঈদ উপলক্ষে গত বুধবার প্রকাশ হয়েছে ‘প্রেমিক বাঙাল’ শিরোনামে একটি গান। এতে কণ্ঠ দিয়েছেন জনপ্রিয় শিল্পী কাঙালিনী সুফিয়া, কনা ও মার্সেল।
জনপ্রিয় শিল্পি কনা বলেন, ‘বেশ কয়েক মাস আগে গানটিতে কণ্ঠ দিয়েছি। কথা, সুর-সংগীত সব মিলিয়ে, দারুণ একটি গান। ঈদে এই একটি মাত্র গানই প্রকাশ হয়েছে। ঈদের জন্য আরও কিছু গান করার কথা ছিল কিন্তু ব্যস্ততার কারণে করা হয়নি।’
এবারের ঈদ অনুষ্ঠানগুলো প্রসঙ্গে জানতে চাইলে কনা বলেন, ‘ঈদের টিভি আয়োজনে খুব একটা অংশ নিতে পারিনি। যমুনা টিভিসহ আরও দু’একটি টিভি অনুষ্ঠানে গান গাওয়া হয়েছে। ইচ্ছে থাকলেও, পারিবারিক ব্যস্ততার কারণে টিভি অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়া হয়ে উঠেনি।’ তিনি আরও জানান, খুব শিগগিরই নতুন কিছু গানে কণ্ঠ দেবেন। তবে তিনি সকলের কাছে দোয়া ছেয়েছেন বলে জানান এই প্রতিবেক।
সূত্র: আমাদের সময়

