
বার্তা প্রতিনিধি: আরব দেশগুলো এখন পম্চিমা দেশের সাথে তাল মিলিয়ে চলতে শুরু করেছে। আগে সৌদি আরবে কোনো হোটেলে একই কক্ষে থাকার জন্য যে কোনো যুগলকে বিয়ের প্রমাণপত্র দেখাতে হত।
Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!কিন্তু এখন বিদেশিদের পাশাপাশি সৌদি নারীরাও চাইলে এখন হোটেলে একা থাকতে পারবেন বলে রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।
সৌদি আরবে বিদেশি পর্যটকদের আকর্ষণ ও পর্যটন খাতের বিকাশে রক্ষণশীলতার বেড়াজাল ভেঙে সৌদি সরকার যেসব নতুন পদক্ষেপ নিয়েছে, অবিবাহিত বিদেশি নারী-পুরুষদের হোটেল কক্ষ ভাড়া দেয়ার সিদ্ধান্ত তার একটি।
এক বার্তায় সৌদি আরবের কমিশন ফর ট্যুরিজম অ্যান্ড ন্যাশনাল হেরিটেজের এক ঘোষণায় বলা হয়, হোটেলে চেক-ইনের সময় (যুগলদের ক্ষেত্রে) সকল সৌদি নাগরিককে তাদের পারিবারিক পরিচয়পত্র বা সম্পর্কের প্রমাণ দেখাতে হবে। তবে বিদেশি নাগরিকদের জন্য এটি প্রযোজ্য হবে না। সকল নারী, এমনকী সৌদি নারীরাও পরিচয়পত্র দিয়ে হোটেল কক্ষে একা থাকতে পারবেন।
সৌদী আরবের নতুন এ ভিসা নীতিতে বিদেশি নারীদের ক্ষেত্রে শরীর সম্পূর্ণ ঢেকে রাখা ঢিলেঢালা পোশাক আবায়া পরার বিধানও শিথিল করা হয়েছে।
জানা যায় আবায়া পরতে বাধ্য না করলেও সৌদি সংস্কৃতির প্রতি সম্মান দেখিয়ে বিদেশি নারী পর্যটকরা ‘শালীন পোশাক’ পরবেন বলে আশা প্রকাশ করেছে সৌদি কমিশন ফর ট্যুরিজম অ্যান্ড ন্যাশনাল হেরিটেজ।
এদিকে আরো জানা যায় পোশাক ও হোটেলে থাকার ক্ষেত্রে বিধিনিষেধ শিথিল হলেও অ্যালকোহলে নিষেধাজ্ঞা বহাল থাকছে।
তবে সুন্নি সংখ্যাগরিষ্ঠ এ দেশটিকে একসময় পৃথিবীর সবচেয়ে কঠোর বিধিনিষেধের দেশ হিসেবে দেখা হলেও সাম্প্রতিক সময়ে বিদেশি পর্যটক ও বিনিয়োগ আকৃষ্ট করতে রিয়াদ নানা ধরনের চেষ্টা করছে।
সৌদী ক্ষমতাধর বাদশাপুত্র মোহাম্মদ বিন সালমান ক্রাউন প্রিন্সের দায়িত্ব পাবার পর থেকেই কট্টর রক্ষণশীল এ দেশ নারীদের গাড়ি চালানো, স্টেডিয়ামে বসে খেলা দেখাসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেয়। দেশটির নারীরা এখন পুরুষ আত্মীয়ের অনুমতি ছাড়া পাসপোর্ট করতে কিংবা একা বিদেশ ভ্রমণেরও সুযোগ পাচ্ছেন।
এদিকে সৌদী আরব মধ্যপ্রাচ্যের মার্কিন মিত্র এ দেশটি সম্প্রতি বেশ কয়েকটি দেশের নাগরিকদের জন্য ভ্রমণ ভিসাও চালু করেছে। এর আগে সৌদি আরব মূলত বিদেশি শ্রমিক, ব্যবসায়ী ও হজযাত্রীদেরই ভিসা দিত।
সূত্র: বিডিনিউজ২৪

