
বার্তা প্রতিনিধি: ঈদের পরে জাতীয় সংসদের বৈঠকে মঙ্গলবার যোগ দিয়েছেন বিএনপির সংরক্ষিত নারী আসনের সাংসদ রুমিন ফারহানা। প্রথম সংসদ বৈঠকে শুভেচ্ছা বক্তব্য দেয়ার জন্য তাকে সময় দেওয়া হয় দুই মিনিট। রুমিন বলেন, সংসদে আজ আমার প্রথম দিন। যেকোনো রাজনীতিবিদের মতোই সংসদে আসা, সংসদে দেশের কথা, মানুষের কথা বলা আমার স্বপ্ন ছিল। কিন্তু দুর্ভাগ্য আমি এমন একটি সংসদে প্রতিনিধিত্ব করছি যে সংসদটি জনগণের ভোটে নির্বাচিত নয়।
Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!তিনি বক্তব্য শুরু করার পরপরই সরকারি দলের সদস্যরা হইচই শুরু করেন। তার পুরো বক্তব্যের সময়ই হইচই চলতে থাকে। স্পিকার কয়েকবার সদস্যদের নীরব থাকার আহ্বান জানান। কিন্তু হইচই চলতে থাকে। এর মধ্যেই তিনি বক্তব্য চালিয়ে যান। একপর্যায়ে সময় শেষ হলে রুমিনের মাইক বন্ধ হয়ে যায়। মাইক বন্ধ অবস্থায়ও রুমিনকে বক্তব্য দিতে দেখা যায়।
সাংসদ রুমিন ফারহানা বলেন, যদি আপনারা টিআইবির রিপোর্ট দেখেন। যদি আপনারা বিদেশি গণমাধ্যম দেখেন। যদি আপনারা বিদেশি পর্যবেক্ষকদের দেখেন। যদি আপনারা নির্বাচন কমিশনের রিপোর্ট দেখেন, আপনারা দেখবেন- এই সংসদটি জনগণের ভোটে নির্বাচিত নয়। সুতরাং আমি খুশি হব যদি এই সংসদের মেয়াদ আর একদিনও না বাড়ে।
বিএনপির সাংসদ রুমিন ফারহানা আরও বলেন, বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া সংসদে নেই। তাকে পরিকল্পিতভাবে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মিথ্যা মামলায় ১৬ মাসের বেশি সময় ধরে আটক রাখা হয়েছে। খালেদা জিয়ার মামলার মেরিট, তার শারীরিক অবস্থা, তার সামাজিক অবস্থান, সব কিছুর বিবেচনায় তাৎক্ষণিক জামিন পাওয়ার যোগ্য। সরকারের হুমকিতে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান দেশে ফিরতে পারেন না। বিএনপির নেতাদের নামে শত শত মামলা। তিনি অভিলম্বে দেশের বিএনপির নেতাকর্মীদের মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার ও খালেদা জিয়ার মুক্তি এবং তারেক রহমানকে দেশে আসার সুযোগ দেওয়ার আহবান জানান।
সূত্র: বিডি প্রতিদিন

