
বার্তা প্রতিনিধি: বানিজ্যিক রাজধানী নামে খ্যাত চট্টগ্রামের উন্নয়ন হলে সারাদেশের উন্নয়ন হবে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বুধবার (১৬ মার্চ) গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে শেখ হাসিনা পানি শোধনাগার-২ প্রকল্পের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।
Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!চট্টগ্রাম হোটেল রেডিসন ব্লুর মেজবান হলে অনুষ্ঠিত স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব হেলালুদ্দীন আহমদের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সরকার ও পল্লী উন্নয়ন সমবায় মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম, তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ, চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র রেজাউল করিম চৌধুরী, চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মমিনুর রহমান, চট্টগ্রাম ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকোশলী এ কে এম ফজলুল্লাহ।
২০১৩ সালে একনেকে পাশ হওয়া ৪৪৮৯.১৬ কোটি টাকা প্রকল্প ব্যায়ে শেখ হাসিনা পানি শোধনাগার-২ ছাড়াও পানি শোধনাগার-১ ও শেখ রাসেল পানি শোধনাগার থেকে পানি সরবরাহ করছে চট্টগ্রাম ওয়াসা। প্রকল্পটির অবস্থান ইনটেক স্টেশন রাঙ্গুনিয়া জলাধার নাসিরাবাদ সু-উচ্চ হালিশহর ট্রান্সমিশন ও ডিস্ট্রিবিউশন পািইপলাইন চট্রগাম এতে ওয়াসার পানি সরবরাহে সক্ষমতা বেড়েছে ৫০ কোটি লিটার।
এই ৪ হাজার ৪৮৯ কোটি ১৬ লাখ টাকা ব্যয়ে বাস্তবায়িত হয় এ প্রকল্প। এর মধ্যে জিওবি ১৬৬৫.১৬ কোটি, জাইকা ২৮০০.৯৩ কোটি টাকা, ও চট্টগ্রাম ওয়াসা ২৩ কোটি ৭ লাখ টাকা অর্থায়ন করেছে। চট্টগ্রামে যারা বক্তব্য রাখেন তাদের মধ্যে স্থানীয় সরকার ও পল্লী উন্নয়ন সমবায় মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম, চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র রেজাউল করিম চৌধুরী, চট্টগ্রাম ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকোশলী এ কে এম ফজলুল্লাহ।
প্রধান অতিথি মাননীয় প্রধান মন্ত্রী বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা তার বক্তব্যে বলেন জাতীর পিতার সোনার বাংলা গড়তে ও বাংলাদেশের মানুষের ভাগ্য উন্নয়নে সরকার এই ভাবে সব রকম ব্যবস্থা গ্রহন করবে। সরকারের উন্নয়নের মেগা প্রকল্পগুলো মধ্যে পদ্মা সেতু, চট্টগ্রাম কর্ণফুলীর তলদেশে স্থাপিত বঙ্গবন্ধু ট্যানেল, মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্র বন্দর ও মিরশরাই শেখ হাসিনা অর্থনৈতিক জোন। বক্তব্য শেষে মাননীয় প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনা চট্টগ্রাম শেখ হাসিনা পানি শোধনাগার-২ শুভ উদ্ভোদন ঘোষনা করেন। সর্বশেষ মোনাজার ও ভোজনের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি হয়।

