
বার্তা প্রতিনিধি: প্রোগ্রাম বা প্রোগ্রাম সমষ্টি যা কম্পিউটারের হাডওয়্যার এবং ব্যবহারকারীর মধ্যে সম্পক সৃষ্টির মাধ্যমে হাডওয়্যারকে কাযক্ষম রাখে তাকে সফটওয়্যার বলে । সফটওয়্যার এক অদৃশ্য শক্তি । সফটওয়্যার ছাড়া হাডওয়্যার অথহীন ।
Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!সফটওয়্যারের প্রকারভেদ (Classification of Software)
কাজের প্রকৃতি বা ফাংশন অনুযায়ী কম্পিউটার সফটওয়্যারকে দুইভাগে ভাগ করা যায় । যথা-
১) সিস্টেম সফটওয়্যার (System Software)
সিস্টেম সফটওয়্যার হলো এমন কতকগুলো প্রোগ্রামের সমষ্টি যেগুলোর সাহায্য কম্পিউটার সকল হাডওয়্যার ও সফটওয়্যার নিয়ন্ত্রণ তত্ত্বাবধান এবং কাযকরি করতে সাহায্যে করে ।
সিস্টেম সফটওয়্যার ছাড়া কম্পিউটার পরিচালনা করা সম্ভব নয় । ইহা কম্পিউটার ব্যবহারকারীর সাথে সফটওয়্যার ও হাডওয়্যারের যোগাযোগ স্হাপন করে।
আধুনিক কম্পিউটারে ব্যবহত সিস্টেম সফটওয়্যার বিভিন্ন ধরনের হতে পারে । যথা-
ক) অপারেটিং সিস্টেম (Operating System)
অপারেটিং সিস্টেম হলো এমন কতকগুলো প্রোগ্রামের সমষ্টি যেগুলোর সাহায্যে কম্পিউটারের সকল হাডওয়্যার ও সফটওয়্যার নিয়ন্ত্রণ (Controls) তত্ত্বাবধান (Supervise) এবং সফটওয়্যারগুলোর পরিচালনা নিয়ন্ত্রণ ও কাযকরী (Execute) করতে সমথন ও সাহায্যে করে ।
অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহারকারীর সাথে হাডওয়্যার ও সফটওয়্যার ও সফটওয়্যারের যোগাযোগ স্হাপন করে । প্রাথমিক অবস্হায় অপারেটিং সিস্টেম তৈরি করা হয়েছিল মেইনফ্রম কম্পিউটারের জন্য ১৯৫১ সালে ।
অপারেটিং সিস্টেমটি যুক্তরাষ্টের জেনারেল মটর রিসাচ ল্যাবরেটরী কতৃক আইবিএম কপোরেশন জন্য তৈরি করা হয়েছিল । পিসিতে অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহত হতে পারে ১৯৭১ সাল থেকে ।এ অপারেটিং সিস্টেমের নাম ছিল CP/M।
খ) ডিভাইস ড্রাইভার বা সফটওয়্যার ড্রাইভার ( Device Driver or Software Driver)
ডিভাইস ড্রাইভার বা সফটওয়্যার ড্রাইভার হলো এক ধরনের হাইলেভেল কম্পিউটার প্রোগ্রাম যা কোন হাডওয়্যার ডিভাইসের সাথে উভমুখী যোগাযোগর মাধ্যমে তাকে পরিচালনা করে এবং তার সামথ্যকে কাজে লাগায় ।
উদাহরণস্বরূপ বাজার থেকে নতুন কেনা কোন প্রিন্টার কম্পিউটার লাগিয়ে প্রিন্ট করতে হলে ঐ প্রিন্টারের ডিভাইস ড্রাইভার বা সফটওয়্যার ড্রাইভার ইন্সটল করতে হবে ।
গ) ইউটিলিটি প্রোগ্রাম (Utility Program)
কম্পিউটার রক্ষণাবেক্ষণ,বিশ্লেষণ,বিভিন্ন প্রকার ভাইরাস থেকে সুরক্ষা ,ডেটা ও প্রোগ্রামের ব্যাক-আপ,ডিজাস্টার রিকোভারীসহ বিভিন্ন প্রকার কাজের সুবিধা প্রদানকারী প্রোগ্রামসমূহকে ইউটিলিটি সফটওয়্যার বলে ।
২) ব্যবহারিক সফটওয়্যার (Application Software)
ব্যবহারিক সমস্যা সমাধানের জন্য ব্যবহত প্রোগ্রামকে ব্যবহারিক বা অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম বলা হয় । অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রামকে আবার দুইভাগে ভাগ করা যায় ।
ক) কাস্টমাইজড বা ব্যবহারকারী লিখিত প্রোগ্রাম(Customized software)
ব্যবহারকারী নিজে সাধারণত তার এক বা একধিক সমস্যা সমাধনের উদ্দেশ্য নিয়ে যে অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম তৈরি করে থাকেন তাকে কাস্টমাইজড বা ব্যবহারকারী লিখিত প্রোগ্রাম বলে ।
যেমন: কোন একটি পাবলিকেন্স তার সকল হিসাব নিকাশ করার জন্য একজন দক্ষ প্রোগ্রামার দিয়ে একটি একাউন্টিং সফটওয়্যার তৈরি করলো । এ একাউন্টিং সফটওয়্যারটি ঐ প্রতিষ্ঠানের জন্য একটি কাস্টমাইজ একাউন্টিং সফটওয়্যার ।
খ) প্যাকেজ সফটওয়্যার প্রোগ্রাম (Package Software)
বিভিন্ন ধরনের ব্যবহারিক কাজের জন্য তৈরি করা যেসব প্রোগ্রাম বাজারে কিনতে পাওয়া যায় তাকে প্যাকেজ প্রোগ্রাম বলা হয় । বাণিজ্যকভাবে সফলতা লাবের জন্য বড় বড় সফটওয়্যার নিমাতা প্রতিষ্ঠান ক্রেতাদের চাহিদার দিকে লক্ষ্য রেখে প্যাকেজ তৈরি করে থাকে ।
ব্যবহারকারী এ সকল প্রোগ্রামের কোনরূপ পরিবতন ,সংযোজন বা সংকোচন করতে পারেন না ।
বিভিন্ন ধরনের প্যাকেজ প্রোগ্রামের উদাহরণ
ওয়াড প্রসেসিং সফটওয়্যার -Word Processing Software
ওয়াড প্রসেসিং প্রোগ্রাম হচ্ছে লেখালেখির জন্য তৈরি ব্যবহারিক প্যাকেজ প্রোগ্রাম । কম্পিউটারে চিঠিপত্র লেখা,প্রবন্ধ,নিবন্ধ,প্রতিবেদন,জীবন বৃত্তান্ত এবং বড় আকারের বইয়ের কাজ এই ওয়াড প্রসেসিং প্রোগ্রাম ব্যবহার করে যায় উদাহরণ-
মাইক্রোসফট ওয়াড (Microsoft Word সংক্ষেপে MS Word)বতমানে সময়ের সবচেয়ে জনপ্রিয় ।
ওয়াড পারফেক্ট (Word Perfect সংক্ষেপে WP)
লোটাস ওয়াডপ্রো (Lotus Wordpro)
ওয়াড স্টার (Word Star) ডিসপ্লে রাইটার(Display Writer) ম্যাক রাইট(Mac Write) ওয়াড প্যাড (Word Pad) ডক্স রাইট(Dox Writer) ল্যাটেক্স (Latex) নোটপ্যাড(Note Pad) পিএফএস রাইট ( PFS Write)

