Sunday, May 10বাংলারবার্তা ২১-banglarbarta21
Shadow

বিজয় ৭১ বাংলাদেশের উদ্যেগে ২৫ শে মার্চ কালো রাএীর হত্যা কান্ড স্মরনে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

বিজয় ৭১ বাংলাদেশের উদ্যেগে ২৫ শে মার্চ কালো রাএীর হত্যা কান্ড স্মরনে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিতবার্তা প্রতিনিধি: বিজয় ৭১ বাংলাদেশের উদ্যেগে ২৬শে মার্চ মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষ্যে বিজয় ৭১ বাংলাদেশ এর পাঠানটুলি রোড কার্যালয়ে এক আলোচনা সভা ও ২৫ শে মার্চ কালো রাএীর হত্যা কান্ড স্মরনে মোমবাতি প্রজ্বলন অনুষ্টানের আয়োজন করা হয়। উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বীর মুক্তিযুদ্ধা, জাতির সুর্য সন্তান, জনাব জাহেদ আহমদ। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিজয় ৭১ বাংলাদেশ এর প্রতিষ্টাতা ডাঃ মোহাম্মদ আইয়াজ সিকদার।

Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!

উক্ত অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কবি ও সাংবাদিক মো: কামাল হোসেন, সাংবাদিক প্রবাল শাহা, সাংবাদিক ওসমান গনি শাকিল, সাংবাদিক নিতাই ভট্রাচার্য্য, সাংবাদিক প্রদীপ চৌধুরী সানি, শাহা আলম ডাঃ মীর হোসেন মাসুম, বিজয় ৭১ বাংলাদেশের বায়েজিদ থানার আহবায়ক মো: রাজিব হোসেন, সদস্য মো: সরোয়ার মির্জা, রিপন সিং অপু, সাহাব উদদিন, মো রমজান ফারুক, আবির উদদীন কবির, মো শাকিবুল ইসলাম, মো রাসেল, মো সাখাওয়াত হোসেন, শাকিল আহমদ, আবুল হোসেন সহ কেন্দ্রিয় নেতৃবিন্দ। উক্ত অনুষ্টানে জাতীর জনক বঙ্গবন্ধুর ৭ ই মার্চের ভাষন উপস্থাপন করেন মো: আইমন সিকদার।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে বীর মুক্তিযোদ্ধা জনাব জাহেদ আহমদ বলেন স্বাধীনতার পর বিএনপির সাথে স্বাধীনতা বিরোধী অপশক্তি জোট বাধার কারনে ২৫শে মার্চ গনহত্যাকে আজও আন্তর্জাতীক স্বীকৃতি পেতে দেরী হচ্ছে। তিনি আরো বলেন এই স্বাধীনতা আমরা কিভাবে পেলাম কার মাধ্যমে পেলাম তা আজকের সন্তানদের কাছে তুলে ধরতে হবে। তিনি আরো বলেন তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু হত্যার পর যারা দীর্ঘদিন ক্ষমতায় ছিল, তাদের কারণেই একাত্তরের গণহত্যার আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পেতে বিলম্ব হচ্ছে। সভাপতি তার বক্তব্যে বলেন বাঙালির মুক্তির আন্দোলনের শ্বাসরোধ করতে ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ রাতে এ দেশের নিরস্ত্র মানুষের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে পাকিস্তানি সেনাবাহিনী। ‘অপারেশন সার্চলাইট’ নামের সেই অভিযানে কালরাতের প্রথম প্রহরে ঢাকায় চালানো হয় গণহত্যা।

পাকিস্তানি বাহিনীর সেই নৃশংসতার পর রুখে দাঁড়িয়েছিল বাঙালি, স্বাধীনতার জন্য শুরু হয়েছিল সশস্ত্র সংগ্রাম। নয় মাস যুদ্ধের পর ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর এসেছিল আমাদের বিজয় আর ২৬শে মার্চ আমাদের স্বাধীনতা। বিশেষ অতিথিরা বলেন ২০১৭ সালে জাতীয় সংসদে ২৫ মার্চ জাতীয় গণহত্যা দিবস পালনের প্রস্তাব সর্বসম্মতভাবে গৃহীত হওয়ার পর থেকে রাষ্ট্রীয়ভাবে এ দিবস পালিত হয়ে আসছে। দিবসটি আন্তর্জাতিকভাবে পালনের দাবি রয়েছে বাংলাদেশের, কিন্তু সেই স্বীকৃতি আজও মেলেনি। বিজয় ৭১ বাংলাদেশ ২৬শে মার্চের স্বাধীনতা দিবস উৎযাপনের প্রস্তুতি নিতে সকল নেতা কর্মীদের প্রতি আহবান জানান। সভা শেষে মোমবাতি প্রজ্বলন করে জাতীর সূর্য সন্তানদের স্বরন করা হয়।

বাংলার বার্তা/শাকিল আহমেদ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *