
বার্তা প্রতিনিধি: বাংলাদেশে দুর্নীতির বিরুদ্ধে চলমান অভিযান অব্যাহত রাখার কথা পুনর্ব্যক্ত করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আমরা ইতোমধ্যে মাদক, সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি ঘোষণা করেছি। সুতরাং সন্ত্রাস, দুর্নীতি, মাদকের বিরুদ্ধে অভিযান চলবে।
Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!গত রোববার (৯ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর মিরপুর সেনানিবাসে কমান্ড্যান্ট, সামরিক বাহিনী কমান্ড ও স্টাফ কলেজ কোর্সের সমাপনী এবং গ্র্যাজুয়েশন সনদ বিতরণ অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
অনুষ্ঠানে সশস্ত্র বাহিনীকে দুর্নীতি ও মাদকের মতো সামাজিক ব্যাধিগুলোর দিকে বিশেষ মনোযোগ দিতে বলেন প্রধানমন্ত্রী।
প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনা জানান, তার সরকার তরুণদের মেধা, জ্ঞান ও শক্তি দেশের কল্যাণে কাজে লাগাতে চায়।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের সাবভৌমত্ব সম্পদ ও সুরক্ষায় সামরিক বাহিনী কাজ করছে। বাংলাদেশের সশস্ত্র বাহিনী জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে সুনামের সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছে। বিশ্বে সম্মান ও দেশের মানুষের আস্থা অর্জন করেছে। তাই বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে সশস্ত্র বাহিনীর উন্নয়নে সরকার কাজ করছে।
তিনি বলেন, আমাদের সেনাবাহিনী যেখানেই কাজ করছে সেখানেই তারা সুনাম অর্জন করছে। তাদের সবচেয়ে বড় বিষয় হলো, শুধু একজন সামরিক অফিসার হিসেবে না, তারা মানবিক গুণাবলীর মাধ্যমে স্থানীয় জনগণের হৃদয়ে স্থান করে নিচ্ছেন। সেজন্য সশস্ত্র বাহিনীকে আমি আন্তরিক ধন্যবাদ ও অভিনন্দন জানাই।
দক্ষতার সঙ্গে দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষা করতে সশস্ত্র বাহিনীর প্রশিক্ষণ আরও বাড়াতে হবে মন্তব্য করে শেখ হাসিনা বলেন, আগামী দিনে সন্ত্রাসবাদের সম্ভাব্য ঝুঁকি প্রতিরোধের কথা মাথায় রেখেই কাজ করছে সরকার। স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব রক্ষায় প্রশিক্ষণে ডিজিটাল পদ্ধতি কাজে লাগাতে হবে বলেও উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী। তবে সরকারী কর্মকর্তাদের দুর্ণিতির বিরুদ্ধে যেমন করে সরকার কাজ করে যাচ্ছে তেমন করে বেসরকারী কোম্পানী ও কর্মকর্তাদের দিকেও নজর দেয়া দরকার বলে মনে করেন অনেকে।
উক্ত অনুষ্ঠানে ২৩৫ জন কোর্স সম্পন্নকারী গ্র্যাজুয়েটের হাতে সনদ তুলে দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। অনুষ্ঠানে সামরিক ও বেসামরিক ঊধ্বর্তন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
সূত্র: মানবকন্ঠ

