Friday, April 17বাংলারবার্তা ২১-banglarbarta21
Shadow

ভোলার সহিংসতায় চট্টগ্রাম সহ সারাদেশে তৌহিদি জনতার মিছিল খুনিদের শাস্তি দাবি

বার্তা প্রতিনিধি: ফেসবুকে একটি বিতর্কিত পোস্টকে কেন্দ্র করে রোববার ভোলার বোরহানউদ্দিনে পুলিশের সঙ্গে স্থানীয় ‘তৌহিদী জনতা’র সংঘর্ষে চারজন নিহত হওয়ার ঘটনায় গতকাল সোমবার চট্টগ্রামেও থমথমে অবস্থা ছিল। নগরীর আগ্রাবদা মোড়ে কয়েক হাজার তৌহিদি জনতা জড়ো হয়ে এক বিশাল মিছিল নিয়ে নগরীর দেওয়ান হাট এসে শেষ করে। মিছিলেই চরমোনাই পীরের দল ইসলামী শাসনতন্ত্র আন্দোলনের নেতাকর্মীদের সবচেয়ে বেশি অংশগ্রহণ ছিল। এই ঘটনায় চট্টগ্রামের সাধারণ মানুষের আতঙ্ক আর উৎকণ্ঠায় রয়েছে সবসময়। গতকাল সোমবার চট্টগ্রামে সাধারন ধর্মঘট ডাকা হয়। এসময় অনেক ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও অভ্যন্তরীণ রুটে যান চলাচল বন্ধ ছিল।

Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!

স্থানীয় প্রশাসনের কঠোর অবস্থানের মধ্য দিয়ে নবগঠিত ‘সর্বদলীয় মুসলিম ঐক্য পরিষদ’ তাদের পূর্বঘোষিত কর্মসূচি মোতাবেক এই মিছিল বের করে। তবে আন্দোলনকারীরা জমিয়তুল ফালাহ মসজিদে জমায়ের হওয়ার কথা থাকলেও দেওয়ান হাটে পুলিশি বাধার মুখে কর্মসুছি শেষ করতে বাধ্য হয়। তবে আন্দোলনকারীরা আগ্রাবাদ মোড়ে অবস্থান নিয়ে গন মিছিন করে দেওয়ান হাট মোড়ে এসে ৬ দফা দাবি উপস্থাপন করে ৭২ ঘণ্টার আলটিমেটাম দেয়। চট্টগ্রাম এই সহিংসুকে কেন্দ্র করে কোন হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। মিছিলের আগে পরে ও সবদিকে পুলিশি ব্যারিকেট ছিল।

ভোলার বোরহান উদ্দীনের সংঘর্ষে নিহত চারজনের লাশ গতকাল পরিবারের কাছে হস্তান্তর ও দাফন সম্পন্ন হয়েছে।

দেশের বিভিন্ন স্থানেও বিক্ষোভ: বরিশাল নগরীর অশ্বিনী কুমার হল চত্বর ও বিএম কলেজ ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ মিছিল হয়। উভয় মিছিলেই চরমোনাই পীরের দল ইসলামী শাসনতন্ত্র আন্দোলনের নেতাকর্মীদের সবচেয়ে বেশি অংশগ্রহণ ছিল। বিকেলে অশ্বিনী কুমার হল চত্বরে বিক্ষোভ সমাবেশে মহানবী (সা.) ও ইসলামকে নিয়ে কটূক্তিকারীদের মৃত্যুদণ্ডের বিধান রেখে আইন প্রণয়ন করাসহ ৭ দফা দাবি তুলে ধরেন আন্দোলনকারীরা।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের জামিয়া ইসলামিয়া ইউনুছিয়া মাদ্রাসার সামনে থেকে দুপুর ১২টায় একটি বিক্ষোভ মিছিল বের হয়। মিছিলটি শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাবের সামনে গিয়ে শেষ হয়। পরে সেখানে জামিয়া ইসলামিয়া ইউনুছিয়া মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মুফতি মোবারক উল্লাহর সভাপতিত্বে প্রতিবাদ সমাবেশে বক্তব্য দেন সাজেদুর রহমান, মুফতি আব্দুর রহিম কাসেমী, মাওলানা ইউসুফ প্রমুখ।

নেত্রকোনা জেলা শহরের বারহাট্টা রোডের মিফতাহুল উলুম মাদ্রাসার হেফাজত চত্বর থেকে মিছিল বের হয়ে শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে নেত্রকোনা জেলা প্রেসক্লাবের সামনে গিয়ে সমাবেশ হয়। এতে বিভিন্ন মাদ্রাসার শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ ধর্মভিত্তিক রাজনৈতিক দল ও সংগঠনের নেতাকর্মীরা অংশ নেন। বেলা ২টায় ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জে স্থানীয় মার্কাজ মসজিদ থেকে বিক্ষোভ মিছিল বের করে ইত্তেফাকুল উলামা। পরে উপজেলা পরিষদে গিয়ে সমাবেশ হয়।

নারায়ণগঞ্জ বিকেলে শহরের ডিআইটি জামে মসজিদ এলাকায় প্রতিবাদ সমাবেশে নারায়ণগঞ্জ জেলা ওলামা পরিষদের সভাপতি মাওলানা আবদুল আউয়াল বলেন, ‘নবীর বিরুদ্ধে কটূক্তি হবে আর তৌহিদী জনতা ঘরে বসে থাকবে, সেটা হয় না। যারা এ ঘটনায় জড়িত তাদের ফাঁসির কাষ্ঠে ঝোলাতে হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *