
বার্তা প্রতিনিধি: প্রায় ১৬ লক্ষ মিয়ানমান থেকে পালিয়ে আসা রহিঙ্গা এখন বাংলাদেশে অবস্থান করছে। গত বছর মিয়ানমান সেনাবাহিনীর নিপীড়নের মুখে সেখান থেকে পালিয়ে আসা আর কোনো রোহিঙ্গাকে বাংলাদেশে আশ্রয় দেয়া সম্ভব নয় বলে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদকে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র সচিব শহীদুল হক। খবর রয়টার্সের।
Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!গত বৃহস্পতিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) নিরাপত্তা পরিষদের অধিবেশনে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র সচিব শহীদুল হক বলেন, আমি অত্যন্ত দুঃখের সঙ্গে কাউন্সিলকে জানাচ্ছি যে, মিয়ানমারের নতুন কোনো রোহিঙ্গাকে আর আশ্রয় দেয়ার মতো অবস্থায় নেই বাংলাদেশ।
শহীদুল হক বলেন, যেসব রোহিঙ্গা বাংলাদেশে অবস্থান করছেন তাদের ফিরিয়ে নেয়ার বাস্তবসম্মত কোনো পদক্ষেপ নেয়নি মিয়ানমার। তারা শুধু প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। এছাড়া মিয়ানমারের পরিস্থিতিরও উন্নতি হয়নি।
বাংলাদেশের পররাষ্ট্র সচিব কাউন্সিলকে আরো বলেন, বাংলাদেশে অবস্থান করা রোহিঙ্গাদের মধ্যে একজনও মিয়ানমারে ফেরত যাওয়ার আগ্রহ দেখাননি। তাদের দাবি, মিয়ানমারে বসবাসের অনুকূল পরিবেশ নেই।
উল্লেখ্য, মিয়ানমার সেনাবাহিনীর নিপীড়নের মুখে গত ১৮ মাসে সাত লাখেরও বেশি রোহিঙ্গা বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে। এরও আগে থেকে আরও চার লাখ রোহিঙ্গা বাংলাদেশে বসবাস করছে।
২০১৭ সালে মিয়ানমারে রাখাইনে রোহিঙ্গাদের ওপর নিপীড়ন শুরু করে দেশটির সেনাবাহিনী। সেনাবাহিনীর অভিযানে দেশ ছেড়ে পালিয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নেয় রোহিঙ্গারা। রাখাইনে রোহিঙ্গাদের গ্রামে গ্রামে মিয়ানমারের সেনাবাহিনীর অভিযানকে ‘জাতিগত নিধন’ হিসেবে বর্ণনা করেছে জাতিসংঘ। তবে মিয়ানমার এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছে। কিন্তু মিয়ানমান সরকার রহিঙ্গাদের তাদের দেশে ফিরিয়ে নিতে আগ্রহ দেখলেও তার কোন পদক্ষেপ নেননি বলে জানা ঐ কর্মকর্তা।
খবর: আলোকিত বাংলা

