Wednesday, May 20বাংলারবার্তা ২১-banglarbarta21
Shadow

নতুন করে শ্রম আইনের একটি মামলায় শ্রম আদালত তলব করেছেন ডঃ ইউনুসকে

বার্তা প্রতিনিধি: অবশেষে শ্রম আইনের ১০টি নিয়ম লঙ্ঘন করা মামলায় গ্রামীণ কমিউনিকেশন্সের চেয়ারম্যান হিসেবে নোবেল বিজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে তলব করেছে ঢাকার শ্রম আদালত।

Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!

জানা যায় আগামী ৬ ফেব্রুয়ারি তাকে হাজির হতে সমন জারির নির্দেশ দিয়েছেন ঢাকার তৃতীয় শ্রম আদালতের বিচারক রহিবুল ইসলাম।

শ্রম আদালতের পেশকার মিয়া মো. জামাল উদ্দিন সোমবার গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, আসামি সমন পেয়ে আদালতে হাজির না হলে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির বিধান রয়েছে।

ড. মুহাম্মদ ইউনূসের বিরুদ্ধে গত ৫ জানুয়ারি আদালতে মামলাটি করেন কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদফতরের শ্রম পরিদর্শক (সাধারণ) তরিকুল ইসলাম।

এই মামলায় ড. ইউনূস ছাড়াও গ্রামীণ কমিউনিকেশন্সের ব্যবস্থাপনা পরিচালক নাজনীন সুলতানা, পরিচালক আব্দুল হাই খান ও উপ-মহাব্যবস্থাপক (জিএম) গৌরি শংকরকে বিবাদী করা হয়েছে।

এদিকে নিজের প্রতিষ্ঠিত গ্রামীণ কমিউনিকেশন্স প্রতিষ্ঠানে ট্রেড ইউনিয়ন গঠন করায় চাকরিচ্যুতের অভিযোগে ড. ইউনূসের বিরুদ্ধে তিন মামলা দায়ের করা হয়। একই আদালত গত ৯ অক্টোবর ইউনূসের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছিল। এরপর ৩ নভেম্বর আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন নেন তিনি।

ড. মুহাম্মদ ইউনূসের বিরুদ্ধে এই নতুন মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, ২০১৯ সালের ৩০ এপ্রিল একজন পরিদর্শক প্রতিষ্ঠানটি গ্রামীণ কমিউনিকেশন্স পরিদর্শন করে বিভিন্ন ত্রুটি দেখতে পেয়ে সে সব সংশোধনের নির্দেশনা দেন। তার পরিপ্রেক্ষিতে পর ৭ মে ডাকযোগে বিবাদী পক্ষ জবাব দেয়।

নতুন এই মামলার বাদী একই বছরের ১০ অক্টোবর প্রতিষ্ঠানটিতে পরিদর্শনে গিয়ে ১০টি বিধি লঙ্ঘনের প্রমাণ পান এবং ২৮ অক্টোবর তা অবহিত করেন। তবে বিবাদী পক্ষ সময়ের আবেদন করেও নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে জবাব দাখিল করেনি।

নতুন এই মামলায় বিবাদীরা বাংলাদেশ শ্রম আইন ২০০৬, বাংলাদেশ শ্রম (সংশোধন) আইন, ২০১৩-এর ধারা ৩৩ (ঙ) এবং ৩০৭ মোতাবেক দণ্ডনীয় অপরাধ করেছেন বলে মামলায় বাদী অভিযোগ করেছেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *