Sunday, April 26বাংলারবার্তা ২১-banglarbarta21
Shadow

জাতীর পিতা বঙ্গবন্ধুর নামে শান্তি পদক চালু, স্বর্ণ পদকের সঙ্গে থাকবে নগদ পুরস্কারও

জাতীর জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান শান্তি পদক চালু করেছে বাংলাদেশ। এ জন্য আজ সোমবার (২০ মে) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান শান্তি পদক নীতিমালা-২০২৪ এর খসড়া অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে তার কার্যালয় মন্ত্রিসভার বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!

মন্ত্রিসভার বৈঠক শেষে সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব মাহবুব হোসেন বলেন, ‘বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠায় অবদান, মানবাধিকার, ক্ষুধা ও দারিদ্র্য বিমোচনে অবদানের স্বীকৃতি স্বরুপ এই পদক দেওয়া হবে প্রতি দুই বছর পর পর।

এই্ পুরুস্কারটি আগামী ২০২৫ সালের ১৭ মার্চ এই পুরস্কার ঘোষণা করা হবে। এরপর ২৩ মে পুরস্কার প্রদান করা হবে। বাংলাদেশসহ বিশ্বের যেকোনো দেশের নাগরিক এই পদকের জন্য বিবেচিত হবেন। কোনো দেশের রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, সমাজ সেবক, রাজনীতিক এর জন্য মনোনীত হবেন।
নোবেল বিজয়ী, বাংলাদেশে অবস্থিত দূতাবাসের প্রধানরা সংশ্লিষ্ট দেশের জন্য নাম প্রস্তাব করতে পারবেন।

সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, ‘১ লাখ মার্কিন ডলার সমপরিমাণ আর্থিক পুরস্কারের সঙ্গে ১৮ ক্যারটের ৫০ গ্রাম স্বর্ণ পদক থাকবে পুরস্কার হিসেবে। একটি নিরপেক্ষ ও আন্তর্জাতিক জুরিবোর্ড গঠন করা হবে। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ সাচিবিক দায়িত্ব পালন করবেন। সেই সাথে একটি নীতিমালা করা হবে।

জাতরি জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মজিবুর রহমানের নামে শান্তি পদক পেতে যারা আবেদন করতে পারবেন

জাতীর পিতার নামে শান্তি পদক চালু করেছে বাংলাদেশ। ২০২৫ সালের ১৭ মার্চ এই পুরস্কার ঘোষণা করা হবে। এরপর ২৩ মে পুরস্কার প্রদান করা হবে

আবেদনটি বাংলাদেশসহ বিশ্বের যেকোনো দেশের নাগরিক এই পদকের জন্য বিবেচিত হবেন জানিয়ে তিনি বলেন, ‘কোনো দেশের রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, সমাজ সেবক, রাজনীতিতিক এর জন্য মনোনীত হবেন। নোবেল বিজয়ী, বাংলাদেশে অবস্থিত দূতাবাসের প্রধানরা সংশ্লিষ্ট দেশের জন্য নাম প্রস্তাব করতে পারবেন।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব মাহবুব হোসেন আরো বলেন, ‘পুরস্কারের আর্থিক মূল্য হবে ১ লাখ মার্কিন ডলার সমপরিমাণ আর্থিক পুরস্কার সেই সঙ্গে ১৮ ক্যারটের ৫০ গ্রাম স্বর্ণ পদক। একটি নিরপেক্ষ ও আন্তর্জাতিক জুরিবোর্ড গঠন করা হবে। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ সাচিবিক দায়িত্ব পালন করবেন। সেই সাথে একটি নীতিমালা করা হবে। এর মাধ্যমে জননেত্রী শেখ হাসিনার আরো একটি স্বপ্ন পুরণ হলো।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *