Wednesday, June 24বাংলারবার্তা ২১-banglarbarta21
Shadow

একটি বাড়ী একটি খামারী লতিফুন প্রধানমন্ত্রীকে উপহার দিতে চান

বার্তা প্রতিনিধি: শখ সকলেরই থাকে তাদের প্রিয় মানুষের জন্য। কিন্তু প্রিয় মানুষের প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের গুরুত্বপূর্ণ উপায় উৎসর্গ কিংবা উপহার। তবে সম্পর্কভেদে উপহারের ধরনে থাকে ভিন্নতা। ভালোবাসার মানুষকে প্রিয় কিছু উৎসর্গ কিংবা নিখুঁত উপহার দেওয়া অসাধ্য হলেও নানা ধরনের ত্যাগ স্বীকার করে থাকেন অনেকে।

Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!

হতদরিদ্র বৃদ্ধ লতিফুন নেছাও তার প্রিয় মানুষটিকে উপহার দেওয়ার জন্য নিজের প্রিয় বস্তুটিকে আগলে রেখেছেন নানা প্রতিকূলতার মধ্যেও। কারণ তার প্রিয় মানুষটি যে দেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা!

কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার প্রাগপুর ইউনিয়নের নিভৃত পল্লীর বাসিন্দা লতিফুন নেছা। প্রিয় নেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে উপহার দেওয়ার জন্য দীর্ঘ তিন বছরেরও বেশি সময় ধরে পরম যত্নে লালনপালন করছেন একটি ছাগল।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৬ সাল থেকে একটি ছাগলের বাচ্চা প্রিয় নেত্রীকে দেওয়ার উদ্দেশ্যে পালন করতে থাকেন তিনি। বর্তমানে ছাগলটির ওজন প্রায় একশ কেজি। প্রধানমন্ত্রীর কাছে ছাগলটি পৌঁছে দেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি কামনা করেছেন লতিফুন নেছা।

মহিষকুণ্ডি গ্রামের মৃত সামছুদ্দিন মণ্ডলের স্ত্রী লতিফুন নেছার পাঁচ ছেলে ও ছয় মেয়ে নিয়ে অভাবের সংসার। অভাবী সংসারে নানা প্রতিকূলতার মধ্যেও প্রিয় মানুষের জন্য পালিত ছাগলটি বিক্রি করেননি তিনি।

এ বিষয়ে বৃদ্ধ লতিফুন নেছা বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার একজন অন্ধভক্ত আমি। তিনি ছাগলটি নিলে আমার জীবনের শেষ স্বপ্ন ও ইচ্ছাটুকু পূরণ হবে। ছাগলটি আমি প্রধানমন্ত্রীর জন্য লালনপালন করে বড় করেছি। আমি প্রধানমন্ত্রীকে এটি উপহার দিতে চাই।

এ ব্যাপারে দৌলতপুর উপজেলার প্রাগপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আশরাফুজ্জামান মুকুল বলেন, আমিও বিষয়টি শুনেছি। বৃদ্ধ লতিফুন নেছা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার একজন অন্ধভক্ত। প্রধানমন্ত্রীর জন্য এই ছাগলটি লালনপালন করছেন তিনি। বৃদ্ধ লতিফুন নেছার এই ইচ্ছা পূরণ হবে বলে আমি আশা করছি। তবে সরকারী ভাবে তার ব্যবস্থার জন্য লতিফুন নেছা দাবী জানান এবং মাননীয় প্রধান মন্ত্রীকে উপহারটিপ নিজেই পৌচে দিতে চান। সূত্র: বাংলাদেশ প্রতিদিন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *