
নিজস্ব প্রতিনিধি: বাড়ীতে জোর করে ডুকে এক গৃহবধূকে ধারালো অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে ধর্ষণ করেছে এক লম্পট। শেরপুরের একটি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। তবে এ ঘটনায় থানায় মামলা করেছেন ভিকটিম।
Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, প্রায় ১১ বছর আগে বিয়ে হওয়া ওই নারী এখন তিন সন্তানের জননী। গত শুক্রবার রাতের খাবার শেষে স্বামী-সন্তানদের সঙ্গে ঘুমিয়ে পড়েন। রাত দেড়টার দিকে প্রকৃতির ডাকে ঘরের বাইরে বের হন। এ সময় আগে থেকেই ওত পেতে থাকা একই গ্রামের লম্পট ফটিক মিয়া তাকে পেছন থেকে গামছা দিয়ে মুখ বেঁধে ফেলে। পরে ধারালো অস্ত্রের মুখে ধর্ষণ করে।
এ বিষয়ে পরদিন স্থানীয় ইউপি সদস্যসহ মাতুব্বররা গ্রাম্য সালিশি বৈঠকে ফটিককে হাজির করে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা ধার্য করেন। কিন্তু ফটিকের দুই ছেলে শাহ আলম ও শাহাদতের নেতৃত্বে ১৫-১৬ জন জরিমানার টাকা দিতে অস্বীকার করে এবং বৈঠক থেকে তাকে ছিনিয়ে নিয়ে যায়।
ইউপি সদস্য ইয়াকুব আলী বলেন, ধর্ষণের ঘটনায় সালিশি বৈঠকে আমি ছিলাম, তবে কোনো সিদ্ধান্ত দিইনি। গণ্ডগোল শুরু হলে আমি ওই বৈঠক থেকে চলে আসি।
শেরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হুমায়ুন কবীর বলেন, এ বিষয়ে থানায় মামলা হয়েছে। আসামিকে গ্রেপ্তার করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তবে সচেতন মহল দাবী করেন এইসব শিক্ষকদের জনসম্মুখে শাস্থি হওয়া উচিৎ। গ্রামের লোকজন মনে করেন পূর্ব শত্রুতা বসত এই ধর্ষনের ঘটনা ঘটতে পারে। সূত্র: বাংলাদেশ প্রতিদিন

