
রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ইউক্রেন সংকট সমাধানে যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে সমঝোতায় আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। পুতিন ইঙ্গিত দিয়েছেন, ট্রাম্প ক্ষমতায় ফিরলে এই ইস্যুতে সমাধানের পথ খুঁজে পাওয়া সম্ভব হতে পারে।
Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!বিশ্ব রাজনীতিতে ইউক্রেন যুদ্ধ একটি গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু হিসেবে রয়ে গেছে, যেখানে যুক্তরাষ্ট্র এবং রাশিয়ার ভূমিকা নির্ধারক হিসেবে কাজ করছে। পুতিনের এই অবস্থান সংকট নিরসনে নতুন আলোচনার সুযোগ তৈরি করতে পারে বলে ধারণা করছেন বিশেষজ্ঞরা।
আরো জানতে পড়ুন: তৈরি পোশাক খাতে বড় সংকট: বেক্সিমকো গ্রুপের ৪০ হাজার শ্রমিক ছাঁটাই
রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন জানিয়েছেন, সদ্য নির্বাচিত মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে যে কোনো সময় ইউক্রেন ইস্যুতে আলোচনায় বসতে তিনি প্রস্তুত।
ট্রাম্প এর আগে জানিয়ে ছিলেন, প্রেসিডেন্ট হিসেবে ফের দায়িত্ব নেওয়ার পর ইউক্রেন যুদ্ধের অবসান ঘটাবেন। তিনি ইউক্রেনকে রাশিয়ার পক্ষে শান্তি চুক্তি মেনে নিতে বাধ্য করার হুঁশিয়ারিও দেন। ট্রাম্প আগামী জানুয়ারিতে হোয়াইট হাউসে ফিরবেন।
বছরের শেষের বার্ষিক সংবাদ সম্মেলনে পুতিন জানান, রাশিয়া সমঝোতার জন্য প্রস্তুত। তবে ইউক্রেনের সঙ্গে সংঘাত নিয়ে তিনি কিছু বিষয়ে অনুতপ্তও। তিনি বলেন, “আমাদের সেনারা যুদ্ধক্ষেত্রে এগিয়ে ছিল, কিন্তু পরে আক্রমণ শুরু করে।
আরো জানতে পড়ুন: মাতুয়াইলে মোল্লা কলেজের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে বিভিন্ন কলেজের ছাত্রদের রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ আহত অর্ধশতাধিক
পুতিন এও স্বীকার করেন যে, তিনি জানেন না পশ্চিম কুর্স্ক অঞ্চল রাশিয়া কবে পুনর্দখল করতে পারবে। গত আগস্টে সেখানে ইউক্রেনীয় বাহিনীর আগ্রাসন শুরু হয়।
রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন জানিয়েছেন, সদ্য নির্বাচিত মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে যে কোনো সময় ইউক্রেন ইস্যুতে আলোচনায় বসতে তিনি প্রস্তুত।
ট্রাম্প এর আগে জানিয়ে ছিলেন, প্রেসিডেন্ট হিসেবে ফের দায়িত্ব নেওয়ার পর ইউক্রেন যুদ্ধের অবসান ঘটাবেন। তিনি ইউক্রেনকে রাশিয়ার পক্ষে শান্তি চুক্তি মেনে নিতে বাধ্য করার হুঁশিয়ারিও দেন। ট্রাম্প আগামী জানুয়ারিতে হোয়াইট হাউসে ফিরবেন।
আরো জানতে পড়ুন:শিক্ষার্থী মিত্যুকে কেন্দ্র করে ৩৫ কলেজের শিক্ষার্থীদের মাঝে ব্যপক সংঘর্ষ ও ভাংচুর
বছরের শেষের বার্ষিক সংবাদ সম্মেলনে পুতিন জানান, রাশিয়া সমঝোতার জন্য প্রস্তুত। তবে ইউক্রেনের সঙ্গে সংঘাত নিয়ে তিনি কিছু বিষয়ে অনুতপ্তও। তিনি বলেন, “আমাদের সেনারা যুদ্ধক্ষেত্রে এগিয়ে ছিল, কিন্তু পরে আক্রমণ শুরু করে।”
পুতিন এও স্বীকার করেন যে, তিনি জানেন না পশ্চিম কুর্স্ক অঞ্চল রাশিয়া কবে পুনর্দখল করতে পারবে। গত আগস্টে সেখানে ইউক্রেনীয় বাহিনীর আগ্রাসন শুরু হয়।
সিরিয়া প্রসঙ্গ
সংবাদ সম্মেলনে সিরিয়ার ক্ষমতাচ্যুত প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদের পতন নিয়েও প্রশ্নের মুখোমুখি হন পুতিন। তিনি দাবি করেন, “সিরিয়ায় যা ঘটছে, সেটি রাশিয়ার পরাজয় নয়। আমরা সেখানে গিয়েছিলাম যেন দেশটি সন্ত্রাসবাদে পরিণত না হয়। আমাদের সেই লক্ষ্য অর্জিত হয়েছে।”
পুতিন আরও জানান, আসাদের সঙ্গে তার এখনো দেখা হয়নি, তবে শিগগিরই সাক্ষাৎ করার পরিকল্পনা রয়েছে। এদিকে আসাদ বিদ্রোহীদের প্রতিরোধের মুখে মস্কোতে আশ্রয় নিয়েছেন।
পুতিন সিরিয়ার পরিস্থিতি নিয়ে ইসরায়েলকে সুবিধাভোগী হিসেবে অভিহিত করেন এবং সিরিয়ার ভূখণ্ড থেকে সেনা প্রত্যাহারের আহ্বান জানান।
উৎস: এএফপি

