
বার্তা প্রতিনিধি: আবারো চালকের একঘেয়েমীতে প্রান গেল ৯ জনের। আজ শনিবার দুপুরের দিকে ফরিদপুর মহাসড়কের ধুলদি এলাকায় ব্রিজের রেলিং ভেঙে যাত্রীবাহী একটি বাস নদীতে পড়লে এই নিহতের ঘটনা ঘটে।
Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!জানা যায় আজ শনিবার দুপুর আড়াইটার দিকে ঢাকা-ফরিদপুর মহাসড়কে ফরিদপুর সদরের মাচ্চর ইউনিয়নের ধুলদি এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
এদিকে ঐ বাস দুর্ঘটনাস্থলে ৭ জন এবং হাসপাতালে নেওয়া হলে মারা যান আরও দুইজন। এতে আহত হয়েছেন অন্তত ২২জন।
এদিকে ফরিদপুর কোতয়ালী থানার ওসি এফএম নাছিম জানান, ঢাকা থেকে গোপালগঞ্জের পাটকাটিগামী কমফোর্ট পরিবহনের যাত্রীবাসী বাসটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ব্রিজের রেলিংয়ে ধাক্কা খায়। পরে চালক বাসটি নিয়ন্ত্রন করতে না পারায় এসময় বাসটি পাশে খাদে পড়ে যায়।
ওসি আরো জানান, এতে ঘটনাস্থলেই ছয়যাত্রী মারা যান, আর হাসপাতালে মারা যান দুইজন। এসময় আহত হয়েছেন কমপক্ষে ২০জন। তাদের উদ্ধার করে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
তেব দুর্ঘটনার খরব পেয়ে ফরিদপুর ফায়ার সার্ভিসের দুইটি ইউনিট, হাইওয়ে থানা পুলিশ, কোতয়ালী থানা পুলিশসহ এলাকাবাসী উদ্ধার কাজে অংশ নেয়।
এদিকে ফরিদপুর ফায়ার সার্ভিসের সহকারী উপ-পরিচালক শওকত আলী জোদ্দার জানান, আহতদের ফরিদপুর মেডিকেলে নেওয়া হলে সেখানে আরো দুই ব্যক্তির মৃত্যু হয়।
তবে অন্যদিকে ফরিদপুর অঞ্চলের হাইওয়ে পুলিশ সুপার মোস্তাফিজুর রহমান জানান, কমফোর্ট পরিবহনের বাসটি দ্রুত গতি থাকায় ব্রিজের ওঠার পর একটি মোটরসাইকেলকে সাইড দেওয়ার সময় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলে, এসময় ব্রিজের রেলিংয়ে ধাক্কা লেগে নিচে পড়ে যায়। এই হতাহতোর ঘটনা ঘটে। শনিবার বিকেল ৫.৩০ টার দিকে শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত নিহতদের মধ্যে দুইজনের নাম-পরিচয় জানা গেছে। তারা হলেন- হাবিবুর রহমান ও ফারুক হোসেন। দুইজনের বাড়ি গোপালগঞ্জ।
তবে হাইওয়ে থানার পুলিশ জানিয়েছে, নিহত ব্যক্তিদের মধ্যে পাঁচজন পুরুষ ও তিনজন নারী। দুর্ঘটনার পর পরই স্থানীয় প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্তকর্তারা ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা ঘটনাস্থলে ছুটে এসে উদ্ধার তৎপরতা পর্যবেক্ষণ করেন।
এদিকে আহতদের দ্রুত সবোর্চ্চ চিকিৎসা নিশ্চিত করতে ফরিদপুর সদর আসনের এমপি ইঞ্জিনিয়ার খন্দকার মোশাররফ হোসেন হাসপাতাল কর্র্র্তৃপক্ষকে নিদের্শ দিয়েছেন বলে জানান এমপির এপিএস এইচএম ফোয়াদ।
খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেন, আহত রোগীদের রক্তের প্রয়োজন হলে ছাত্রলীগের কর্মীদের রাখা হয়েছে, এছাড়াও মেডিকেল কলেজের মেডিসিন ক্লাব ও সন্ধানী ডোনার ক্লাবের কর্মীদের রাখা হয়েছে।
এদিকে বাস দুর্ঘটনার বিষয়ে ফরিদপুরের জেলা প্রশাসক অতুল সরকার বলেন, আহতদের চিকিৎসার ব্যবস্থা স্থানীয় প্রশাসন ও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বহন করবে। তাদের সর্বোচ্চ চিকিৎসার ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। নিহতদের পরিবারের কাছে পৌছাতে সরকারী ভাবে ব্যবস্থা করা হবে।
সূত্র: সমকাল

