
বার্তা প্রতিনিধি: কক্সবাজারের চকরিয়ায় বাড়িতে একা পেয়ে স্কুল ছাত্রীকে ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগ পাওয়া গেছে। উদ্ধার করতে গিয়ে ঐ ছাত্রীর গায়ে মারধরে আঘাতের চিহৃ পাওয়া গেছে। ঐ স্কুলছাত্রী ও পরিবারের সদস্যদের আতংক থাকতে দেখা গেছে।
Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!গতকাল এই ঘটনায় থানায় এজাহার দায়ের করা হয়েছে। ডুলাহাজারা ইউনিয়নের ডুমখালী গ্রামে শুক্রবার সকালে সংগঠিত এ ঘটনায় স্থানীয়ভাবে তোলপাড় চলছে।
এজাহারে জানাযায়, মালুমঘাট আইডিয়াল স্কুলের অষ্টম শ্রেণীর এক ছাত্রী (১৪) কে স্কুলে আসা-যাওয়ার সময় প্রতিনিয়ত উত্ত্যক্ত করতো একই এলাকার এক বখাটে। ঘটনারদিন সকালে ওই ছাত্রীকে ডুমখালীর বসতবাড়িতে রেখে পরিবারের লোকজন একটি বিয়ে অনুষ্ঠানে খুটাখালী যান। এসময় একা পেয়ে আাসমীরা তার বাড়ীতে প্রবেশ করে ধর্ষণের চেষ্টা চালায়। তাৎক্ষণিক এ খবর পেয়ে পরিবারের সদস্যরা ফিরে এসে ঐ ছাত্রীকে উদ্ধার করে। উদ্ধারকালে আসামীরা স্কুল ছাত্রীকে লাঠি দিয়ে আঘাত করে এবং ছাত্রীর পরিবারের লোকজনের উপরও হামলা চালায়। ছাত্রী এবং পরিবারের সদস্যদের চিৎকার শুনে প্রতিবেশীরা এগিয়ে এলে আসামীরা পালিয়ে যায় ।
স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য ক্লিনিকে নিয়ে যায়। কর্তব্যরত চিকিৎসক আহত ছাত্রীকে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে রেফার করে। ওইদিন ভিকটিমের নানী ডুমখালী এলাকার শফিউল আলমের স্ত্রী জাহেদা বেগম বাদী হয়ে চকরিয়া থানায় একখানা এজাহার দায়ের করেন।
এতে আসামী করা হয়েছে ডুমখালী গ্রামের জাকের আহমদের ছেলে আহামদু (২৬), ছগির আহমদের ছেলে আবদুর রহিম (২৮), নুরুল আলমের ছেলে মোঃ আবছার (২৬) ও জাকের আহমদের ছেলে জলু উদ্দিন (১৯)সহ অজ্ঞাতনামা ৫-৬ জনকে।
চকরিয়ার মালুমঘাট আইডিয়াল স্কুলের প্রধান শিক্ষক আবদুল মালেক জানায়, বিষয়টি তিনি খবর নিয়ে দেখবেন। তবে এখনো পর্যন্ত তাকে কেউ জানায়নি। তবে তিনি জানান ঘটনার সর্ততা পাওয়া গেলে বখাটদের আইনের আওতায় এনে শাস্থির ব্যাবস্থা করতে হবে। তিনি আরো বলেন আমার স্কুলের প্রতিটি শিক্ষার্থীকে ভাল পরিবেশে লেখা পড়ার সুযোগ করে দেই। রাস্তায় আসা যাওয়ার সময় অনেকে এই বিষয়ে অভিযোগ করে। তবে সুনির্দিষ্ট কোন অভিযোগ পাওয়া যায়নি। তিনি ছাত্রীদের আরো নিরাপত্তা দেওয়ার আহবান জানান জনপ্রতিনিধি ও সরকারকে।
বার্তা প্রতিনিধি: কক্সবাজারের চকরিয়ায় বাড়িতে একা পেয়ে স্কুল ছাত্রীকে ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগ পাওয়া গেছে। উদ্ধার করতে গিয়ে ঐ ছাত্রীর গায়ে মারধরে আঘাতের চিহৃ পাওয়া গেছে। ঐ স্কুলছাত্রী ও পরিবারের সদস্যদের আতংক থাকতে দেখা গেছে।
গতকাল এই ঘটনায় থানায় এজাহার দায়ের করা হয়েছে। ডুলাহাজারা ইউনিয়নের ডুমখালী গ্রামে শুক্রবার সকালে সংগঠিত এ ঘটনায় স্থানীয়ভাবে তোলপাড় চলছে।
এজাহারে জানাযায়, মালুমঘাট আইডিয়াল স্কুলের অষ্টম শ্রেণীর এক ছাত্রী (১৪) কে স্কুলে আসা-যাওয়ার সময় প্রতিনিয়ত উত্ত্যক্ত করতো একই এলাকার এক বখাটে। ঘটনারদিন সকালে ওই ছাত্রীকে ডুমখালীর বসতবাড়িতে রেখে পরিবারের লোকজন একটি বিয়ে অনুষ্ঠানে খুটাখালী যান। এসময় একা পেয়ে আাসমীরা তার বাড়ীতে প্রবেশ করে ধর্ষণের চেষ্টা চালায়। তাৎক্ষণিক এ খবর পেয়ে পরিবারের সদস্যরা ফিরে এসে ঐ ছাত্রীকে উদ্ধার করে। উদ্ধারকালে আসামীরা স্কুল ছাত্রীকে লাঠি দিয়ে আঘাত করে এবং ছাত্রীর পরিবারের লোকজনের উপরও হামলা চালায়। ছাত্রী এবং পরিবারের সদস্যদের চিৎকার শুনে প্রতিবেশীরা এগিয়ে এলে আসামীরা পালিয়ে যায় ।
স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য ক্লিনিকে নিয়ে যায়। কর্তব্যরত চিকিৎসক আহত ছাত্রীকে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে রেফার করে। ওইদিন ভিকটিমের নানী ডুমখালী এলাকার শফিউল আলমের স্ত্রী জাহেদা বেগম বাদী হয়ে চকরিয়া থানায় একখানা এজাহার দায়ের করেন।
এতে আসামী করা হয়েছে ডুমখালী গ্রামের জাকের আহমদের ছেলে আহামদু (২৬), ছগির আহমদের ছেলে আবদুর রহিম (২৮), নুরুল আলমের ছেলে মোঃ আবছার (২৬) ও জাকের আহমদের ছেলে জলু উদ্দিন (১৯)সহ অজ্ঞাতনামা ৫-৬ জনকে।
চকরিয়ার মালুমঘাট আইডিয়াল স্কুলের প্রধান শিক্ষক আবদুল মালেক জানায়, বিষয়টি তিনি খবর নিয়ে দেখবেন। তবে এখনো পর্যন্ত তাকে কেউ জানায়নি। তবে তিনি জানান ঘটনার সর্ততা পাওয়া গেলে বখাটদের আইনের আওতায় এনে শাস্থির ব্যাবস্থা করতে হবে। তিনি আরো বলেন আমার স্কুলের প্রতিটি শিক্ষার্থীকে ভাল পরিবেশে লেখা পড়ার সুযোগ করে দেই। রাস্তায় আসা যাওয়ার সময় অনেকে এই বিষয়ে অভিযোগ করে। তবে সুনির্দিষ্ট কোন অভিযোগ পাওয়া যায়নি। তিনি ছাত্রীদের আরো নিরাপত্তা দেওয়ার আহবান জানান জনপ্রতিনিধি ও সরকারকে। ঐ মামলায় পুলিশ এখোনো কাউকে গ্রেপতার করতে পারেনি।

