Monday, April 27বাংলারবার্তা ২১-banglarbarta21
Shadow

সাংবাদিক মাসুদা ভাট্টির করা মানহানি মামলায় ব্যারিস্টার মইনুল হোসেনের জামিন নামঞ্জুর

তানহা আহমেদ: সাংবাদিক মাসুদা ভাট্টির দায়ের করা মানহানির অভিযোগে মামলায় সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা ব্যারিস্টার মইনুল হোসেনের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!

গত মঙ্গলবার দুপুরে ঢাকা মহানগর হাকিম মো. তোফাজ্জল হোসেনের আদালত এ আদেশ দেন।

জানা গেছে এর আগে ব্যারিস্টার মইনুল নিম্নআদালতে আত্মসমর্পণ করেন জামিন নিতে । আদালতে তার পক্ষে শুনানি করেন ঢাকা বারের সাবেক সভাপতি গোলাম মোস্তাফা, আইনজীবী আমিনুল ইসলাম ও মহিউদ্দিন চৌধুরী।

তবে মইনুলের আইনজীবীরা জানান, ব্যারিস্টার মইনুল হোসেন সব মামলায় জামিনে রয়েছেন। সাংবাদিক মাসুদা ভাট্টি নিজে বাদী হয়ে ঢাকা মহানগর হাকিম তোফাজ্জল হোসেনের আদালতে মানহানির মামলাটি করেছিলেন। এই মামলাতেও ব্যারিস্টার মইনুল হোসেন উচ্চআদালত থেকে জামিন পেয়েছেন।

এদিকে সুপ্রিমকোর্টের আপিল বিভাগের নির্দেশনা ছিল, সংশ্লিষ্ট আদালতে আত্মসমর্পণ করে উচ্চআদালতের দেয়া জামিনের বিষয়ে অবহিত করতে হবে। সেই সঙ্গে পুনরায় নিম্নআদালত থেকে জামিন নিতে হবে।

আজা মঙ্গলবার এক বিবৃতিতে ব্যারিস্টার মইনুলের আইনজীবী মহিউদ্দিন চৌধুরী বলেন, আমরা পুরো বিষয়টি আদালতে উপস্থাপন করেছি। আদালত জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেছেন।

উল্লেখ্য যে, গত ১৬ অক্টোবর রাতে একটি বেসরকারি টেলিভিশনে মাসুদা ভাট্টির নামে এক নারী সাংবাদিককে করা মন্তব্য নিয়ে তার বিরুদ্ধে ঢাকার আদালতে মানহানির মামলা করেন ওই সাংবাদিক।

তবে ঐ বক্তব্য প্রত্যাহার করে মইনুল হোসেনকে প্রকাশ্য ক্ষমা চাওয়ার আহ্বান জানিয়ে বক্তৃতা-বিবৃতি দেয় বিভিন্ন ব্যক্তি ও সংগঠন।

মাসুদা ভাট্টির মামলার পর রংপুর ও জামালপুরসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে তার বিরুদ্ধে মানহানি ও ডিজিটাল আইনে আরও কয়েকটি মামলা হয়।

তবে রংপুরে করা মানহানির এক মামলায় ২২ অক্টোবর রাত পৌনে ১০টার দিকে রাজধানীর উত্তরায় জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জেএসডি) সভাপতি আ স ম আবদুর রবের বাসা থেকে মইনুল হোসেনকে গ্রেফতার করা হয়।

ব্যারিস্টার মইনুল হোসেনকে আটকের পর জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাকে ঢাকা মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) কার্যালয়ে নেয়া হয়। পরে আদালতে তোলা হলে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়। পরে সব মামলায় জামিন পেয়ে কারামুক্ত হন সুপ্রিমকোর্টের এই জ্যেষ্ঠ আইনজীবী।
সূত্র: যুগান্তর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *