
নিজস্ব প্রতিনিধি: বর্বরতাও হার মানাচ্ছে তাদের কাছে। সন্তান না হওয়ায় এক গৃহবধূকে জীবন্ত পুড়িয়ে মারার চেষ্টা করেছেন তার শ্বশুরবাড়ির লোকজন। অচেতন অবস্থায় লক্ষ্মী দেবী নামে ওই নারীকে নদীর পাড়ে চিতার ওপর থেকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করেছে পুলিশ।
Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!ভারতের বিহার রাজ্যের ভোজপুর জেলায় গতকাল সোমবার এ ঘটনা ঘটে। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম বিবিসি তাদের একটি প্রতিবেদনে জানিয়েছে, বিয়ের ১০ বছরেও সন্তান না হওয়ায় লক্ষ্মীদেবীকে নিয়মিত অত্যাচার করতো তার শ্বশুরবাড়ির লোকজন। ওই নারীর পরিবারের অভিযোগ সন্তান না হওয়ায় গতকাল সোমবার তাকে জীবন্ত পুড়িয়ে দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছিল।
স্থানীয় সূত্রের বরাত দিয়ে বিবিসি আরও জানায়, নিয়মিত লক্ষ্মী দেবীকে অত্যাচার করতেন তার স্বামী, শ্বশুর আর শাশুড়ি। তিনজনই তাকে মারধর করতেন। সোমবারও তাকে মারধর করার পরে সারিকপুর নদীর ঘাটে নিয়ে আসা হয়।
সারিকপুর নদীর ঘাটে বালি তোলার শ্রমিকদের মাধ্যমে ভোজপুর পুলিশ জানতে পারে, লক্ষ্মীদেবীকে ঘাটে নিয়ে আসার পরে খুব দ্রুত চিতা সাজানো হতে থাকে। হিন্দুদের মরদেহ যেভাবে সৎকার করা হয়, সেইভাবেই কাঠ দিয়ে চিতা সাজানো হচ্ছিল সারিকপুর ঘাটে। এক সময়ে ওই নারীকে চিতার কাঠের ওপরে শুইয়েও দেওয়া হয়। স্থানীয়দের কাছ থেকে খবর পেয়ে পুলিশ যখন ঘটনাস্থলে পৌঁছে, তখন শুধু কাঠে আগুন দেওয়াটাই বাকি ছিল। চিতার ওপরেই অজ্ঞান হয়ে পড়েছিলেন লক্ষ্মী দেবী। ওই অবস্থায় তাকে উদ্ধার করা হয়।
ভোজপুর জেলার পুলিশ কর্মকর্তা আদিত্য কুমার বিবিসিকে বলেন, পুলিশ দেখে ওই নারীর শ্বশুরবাড়ির আত্মীয়রা পালিয়ে যায়। পরে লক্ষ্মী দেবীর বাবার বাড়ির লোকজন পুলিশের কাছে একটি অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযুক্তরা সবাই পলাতক। লক্ষ্মী দেবীর অবস্থা স্থিতিশীল। তবে এখনো এই ঘটনায় কাউকে আটক করা হয়নি। কর্তব্যরত অফিসার জানান অপরাধীদেরকে আটকের চেস্টা অব্যাহত আছে। অচিরেই আমরা তাদের আটক করতে সক্ষম হব। সূত্র: আমাদের সময়


Valo kisu asa korsi