
সুন্দরী হলেই পুরুষদের নজরে আসা যায় এই সুন্দরকে পুজি করে ভারতের নিক্কি নামে এক মেয়ে বেশ কয়েকটি বিয়ের কাহিনি ঘটে পরে একজনের মামলার প্রেক্ষিতে পুলিশের জারে আটকা পড়েন এই তরুনী। জানা যায় নিক্কি প্রথমে বিয়ে করেন ধনি এবং ব্যবসায়ী ছেলেকে সংসারে মনোযোগি হন বেশ কয়েকদিন। এরপর বিয়ের কিছুদিন পরেই ব্যবসায়ী/চাকুরীজিবী স্বামী ও তার পরিবারের বিরুদ্ধে মামলা ঠুকে দেন। পরে আপস-মীমাংসায় পেয়ে যান কোটি কোটি রুপি।
Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!আরো জানতে ক্লিক করুন : নেট দুনিয়ায় হঠাৎ জড় তুললেন জয়া, নান্দনিক হট কালারে ফ্যাশন
জানা যায় নিক্কি প্রথমে এক ব্যবসায়ীকে বিয়ে করেন। কয়েকদিন পর এই ব্যবসায়ীল বিরুদ্ধে আদালতে মামলা করে সংসার করবেনা বলে। সেখান থেকে প্রায় কোটি টাকার মত পেয়ে জান নিক্কি। এরপর তাকে ধরে বিয়ে আর টাকার নেশায়। পরে বিয়ে করেন এক সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারকে। সেখানেও সংসারে অসান্তির কথা বলে ছাড়াছাড়ি করে হাতিয়ে নেন ৫০ লাখ টাকা।
বিয়ে খোর নামক মেয়টি এখানেই থেমে থাকেননি। কিছুদিন পর আরেক ব্যবসায়ীকে বিয়ে করে ৬৫ লাখ রুপি মূল্যের নগদ অর্থ ও স্বর্ণালংকার নিয়ে পালিয়ে যান।
আরো জানতে ক্লিক করুন : উর্বশী মায়ের জন্মদিনে দামী খোলামেলা পোশাকে নিজেকে উপস্থাপন
ব্যবসায়ীর নগদ অর্থ ও স্বর্ণালংকার চুরির দায়ে তিনি পুলিশের কাছে অভিযোগ কররে সীমা ওরফে নিক্কি নামে ওই নারীকে গ্রেপ্তার করেছে ভারতের জয়পুর পুলিশ। এখন তাকে বলা হচ্ছে ‘বিয়ে পাগল লুটকারী কনে’।
ভারতের এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, সম্প্রতি জয়পুরের এক ব্যবসায়ীর দায়ের করা মামলায় ওই নারীকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। তদন্তে বেরিয়ে আসে তার অভিনব প্রতারণা বিষয়টি।
জয়পুর পুলিশের তদন্ত বলছে, সীমা নামের ওই নারী বৈবাহিক ওয়েবসাইটগুলোতে স্ত্রীর সঙ্গে বিচ্ছেদ হয়েছে কিংবা স্ত্রী মৃত্যুবরণ করেছে এমন ধনী পুরুষদের নিশানা করতেন। এরপর বিয়ে করে কিছুদিন পরই মামলা করে দিতেন তিনি। আর শেষে বড় অঙ্কের অর্থ নিয়ে মীমাংসা করে নিতেন। এভাবে তিনি কয়েক কোটি রুপির বেশি অর্থ আত্মসাৎ করেছেন বলে জানতে পেরেছে জয়পুর পুলিশ।
আরো জানতে ক্লিক করুন : আমার জীবন নিয়ে যাদের খেলতে ভাল লাগে আসতে পারেন আমিও প্রস্তুত, পরিমনি
এছাড়াও উত্তরাখণ্ডের বাসিন্দা সীমা নিক্কির প্রতারণার প্রথম শিকার হন আগ্রার এক ব্যবসায়ী। ২০১৩ সালে বিয়ের পর তার থেকে আত্মসাৎ করেন প্রায় ৮৫ লাখ রুপি। ২০১৭ সালে গুরুগ্রামের এক সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারকে বিয়ে করে হাতিয়ে নেন ৩৫ লাখ রুপি।
সর্বশেষ ২০২৩ সালে জয়পুরের এক ব্যবসায়ীকে বিয়ে করেন। সেখান থেকে তিনি ৬৫ লাখ রুপি মূল্যের স্বর্ণ ও নগদ অর্থ নিয়ে পালিয়ে যান। এরপরে সেই ব্যবসায়ী মামলা করলে পুলিশ সীমাকে গ্রেপ্তার করে। নিক্কিকে এখন পুলিশ হেফাজতে রেখে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে বেরিয়ে আসছে যত সব কাহিনি। এছাড়া আরো প্রতারনা করছেন কিনা সে ব্যপারেও খবর নিচ্ছেন পুলিশ।
নিক্কির সব স্বামীরা এর বিচার ছেয়ে পুলিশের কাছে লিখিত অভিযোগও করেছেন বলে জানা গেছে।

