
আবারো সহিংসতা শুরু করেছে একদল সন্ত্রাসীদল। বাংলাদেশের রপ্তানীর সবছেয়ে বড় খাতকে ধংশ করার পায়তারায় নেমেছে একদল পোশাক শ্রমিক নামধারী সন্ত্রাসী বাহীনি। সাম্প্রতিক সময়ে টঙ্গি এলাকার নয়টি গার্মেন্টসে ভাঙচুর ও ধ্বংসযজ্ঞে সরাসরি জড়িত থাকার অভিযোগে পাঁচ সন্ত্রাসীকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব-১। শুক্রবার রাত ৪টার দিকে টঙ্গীর বিভিন্ন এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!গ্রেপ্তারের বিষয়টি আমাদের সময়কে নিশ্চিত করেছেন র্যাব-১ এর অধিনায়ক লে. কর্নেল সারোয়ার বিন কাশেম। তিনি জানান, একটি গোষ্ঠীর উসকানিতে তারা ভাঙচুর চালিয়েছে। তাদের কথোপকথনের কল রেকর্ড রয়েছে র্যাবের হাতে।’ র্যাব তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করছে বলেও জানান তিনি।
নতুন সরকারের শপথ নেওয়ার পরপরই গত কয়েক দিন ধরে ঢাকা ও আশপাশের এলাকায় পোশাক শ্রমিকদের বিক্ষোভ শুরু হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত মঙ্গলবার ত্রিপক্ষীয় এক সভায় নতুন মজুরি কাঠামো পর্যালোচনায় কমিটি গঠন হয়। মালিক পক্ষের পাঁচজন, শ্রমিক পক্ষের পাঁচজন এবং সরকারের বাণিজ্য সচিব ও শ্রম সচিবকে নিয়ে ১২ সদস্যের এই কমিটি হয়েছে।
এদিকে মজুরি বৃদ্ধির দাবিতে আজ শনিবার সকাল থেকেও সাভার ও আশুলিয়ার বিক্ষোভ করেছে শ্রমিকরা। তারা সড়ক অবরোধ করে ভাঙচুরের চেষ্টা করলে পুলিশ বাধা দেয়। এ সময় আন্দোলনরত শ্রমিকদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ ও ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। সকালে আশুলিয়ার জামগড়ার ছয়তলা এলাকায় সংঘর্ষে পুলিশসহ ২০ জন আহত হয়েছে। এই ঘটনার আশেপাশের ২০টি পোশাক কারখানা ছুটি ঘোষণা করেছে কর্তৃপক্ষ।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাভারে বিভিন্ন পোশাক কারখানার সামনে টহল দিচ্ছে বডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে মাঠে রয়েছে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট।
এছাড়া রাজধানীর মিরপুর, টেকনিক্যাল মোড়ের কয়েকটি গার্মেন্টেসের কর্মীরা সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছে। গার্মেন্টে কর্মীদের এহেন খামখিয়ালিপনায় পোশাক শিল্পে আবারো ধস নামতে পারে বলে জানিয়েছেন অনেকে। এভাবে গার্মেন্টস বন্ধ হয়ে গেলে হাজার হাজার পোশাক কর্মীরা বেকার হয়ে যেতে পারে বলে ধারনা করছেন অনেকে। তবে এ নিয়ে সরকারের নীতি নির্ধারকরা আলোচনার জন্য বসবেন বলে জানিয়েছেন।

