Friday, April 24বাংলারবার্তা ২১-banglarbarta21
Shadow

৫০ লাখ টাকা ঘুষ বানিজ্যে আইসিএমএইচ এর পরিচালক চেয়ারে অযোগ্য ডাঃ মুজিবুর রহমান

মাতুয়াইল শিশু-মাতৃ স্বাস্থ ইনষ্টিটিউট এর ডাঃ মো: মুজিবুর রহমান এর যোগ্যতা না থাকলেও তিনি প্রায় ৩০ লাখ টাকা ঘুষ দিয়ে হয়েছেন নির্বাহী পরিচালক আর নেতাদের পিচনে খরচ করেছেন আরো ২০ লাখ টাকারও বেশী।

Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!

আরো জানতে পড়ুন: Biodata of Muhammad Yunus

মাতুয়াইল শিশু-মাতৃ স্বাস্থ ইনষ্টিটিউট এ অনিয়ম আর দুর্ণিতিতে নিয়োগ পেয়েছেন বর্তমান নির্বাহী পরিচালক ডা: মো: মজিবুর রহমান। আওয়ামী লীগের পতনের পর বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে মত মাতুয়াইল শিশু-মাতৃ স্বাস্থ ইনষ্টিটিউট এর সাবেক পরিচালক আব্দুল মান্নান ও তার দোষররা কেহ পালিয়ে, কেহ চাকুরী থেকে অব্যহতি দিলে হাসপাতালটি অভিবাবক শুন্য হয়ে পড়ে। যার কারনে অবর্তীকালিন সরকার অধ্যাপক ডা: মো: দেলোয়ার হোসেনকে হাসপাতালের নির্বাহী পরিচালক পদে নিয়োগ প্রদান করে চিঠি দেয়। কিন্তু আওয়ামী দুঃশাসনের মুল হোতা অনিয়ম আর অর্থলোভী ডাক্তার নিজেকে আওয়ামী পন্থি গোপন রেখে হাসপাতালের বিএনপি পন্থি কিছু কর্মকর্তাকে টাকার বিনিময়ে তার দলে নিয়ে জোর করে ডাক্তার দেলোয়ার হোসেনকে রুমে আটকিয়ে তাকে অব্যহতি দিতে বাধ্য করে। পরে বহিরাগত সন্স্রাসী এনে তাকে মারধরও করে। এমতাবস্থায় ডাক্তার মো: দেলোয়ার হোসেন তিনি পালিয়ে চলে যান। এরপর ডাক্তার মো: দেলোয়ার হোসেন অধ্যাপক হওয়ায় ও তাকে উপযোক্ত মনে করে স্বাস্থ্য মন্ত্রনালয় আবারো নির্বাহী পরিচালক করে চিঠি প্রদান করেন। কিন্তু আওয়ামী দুর্ণিতিবাজ অর্থলোভী সন্ত্রাসী ডাক্তার মো: মজিবুর রহমান তাকে হাসপাতালে ডুকতেই দেয়নি। লোক মারফত জানা গেছে ডাক্তার মো: দেলোয়ারকে পুনরায় নিয়োগ দেওয়ার পর ডাঃ মো: মজিবুর রহমান বহিরাগত সন্ত্রাসীদের দিয়ে দেশিয় অস্ত্রের মহরা দিয়েছেন এবং তাকে লোক মারফত মেরে ফেলারও হুমকি প্রদান করেন। যার কারনে ডাক্তার মো: দেলোয়ার হোসেন আর হাসপাতালে আসেননি।

আরো জানতে পড়ুন: Because of all the reasons, Chhatra League was banned 2024

পরে মন্ত্রনালয় একজন সামরিক কর্মকর্তাকে প্রদান বানিয়ে হাসপাতালে প্রেরনের সিদ্ধান্ত নেন। কিন্তু ডাঃ মুজিবুর রহমান তার সাঙ্গপাঙ্গদের দিয়ে ব্যানার পোস্টার ও মিছিল মিটিং এর মাধ্যমে আন্দোলন শুরু করলে স্বাস্থ্য মন্ত্রনালয় সে সিদ্ধান্তকে বাতিন করে। পরে এনিয়ে স্বাস্থ্য সচিব হাসপাতালের বিভিন্ন নেতাদের সাথে অনলাইলে মিটিং করেন।

পরে ডাঃ মুজিবুর রহমান হাসপাতালের বিএনপি পন্থি বিভিন্ন নেতাদের ম্যানেজ করে প্রতিদিন হাসপাতালের ভিতরে মিটিং মিছিল করে এবং অন্যান্য নেতাদের পিচনে প্রায় ২০ লাখ টাকা খরচ করে মন্ত্রনালয়ের ধরনা দিতে শুরু করেন।
অবশেষে তার বিশ্বস্থ্য লোক মারফত জানা যায় তিনি প্রায় ৩০ লাখ টাকা ঘুষ দিয়ে নির্বাহী পরিচালক পদে নিয়োগ পান। কিন্তু যার পরিচালক হওয়ার যোগ্যতাই নাই তাকে কিভাবে মন্ত্রনালয় নিযোগ প্রদান করেন তা জানার বিষয়।
ডাক্তার মুজিব কেন এত নেতাদের ধরনা দিয়েছেন ও নিয়োগ পাওয়ার জন্য প্রায় ৫০ লাখ টাকা খরচ করেছেন ?

আরো জানতে পড়ুন: নেট দুনিয়ায় হঠাৎ জড় তুললেন জয়া, নান্দনিক হট কালারে ফ্যাশন

জানা যায় ডাক্তার মুজিব একজন আইসিইউ এর প্রধান ছিলেন। তিনি নিওনেটোলজি এবং পেয়িাট্রিকের এক্সপোজার সহ দায়িত্ব পালন করতেন। তিনি সবসমই টাকার নেশায় থাকতেন। রুগিদের আইসিইউতে সিট পাইয়ে দেওয়া নরমাল রুগিদের ডেলিভারী না করিয়ে তিনি তাদের সিজারে বাধ্য করতেন।

এছাড়াও তার রয়েছে নিজস্ব হাসপাতাল ”বাংলাদেশ নবজাতক হাসপাতাল” যেটি নারায়ন গঞ্জ সিদ্ধেশ্বরী সাইনবোর্ড মোড়ে। এছাড়াও সিদ্ধেশ্বরি প্রো-একটিভ হাসপাতালে তার রয়েছে মালিকানা শেয়ার।

অনেক রুগীরা অভিযোগ করেন তিনি মাতুয়াইল শিশু-মাতৃ স্বাস্থ ইনষ্টিটিউট এ ডেলিভারীর জন্য রুগী গেলে সেখানে সিট নাই অথবা ইমারজেন্সি সিজার করার কোন অপসন নাই তাদের তিনি ডিওটিরত ডাক্তারদের দ্বারা ঢাকা মেডিকেলে রেফার করান। পরে দালালদের মাধ্যমে রুগিদের সাইনবোর্ডে তার নিজস্ব হাসপাতাল ”বাংলাদেশ নবজাতক হাসপাতাল”এ পাঠান। এছাড়া বিভিন্ন মায়েদের চিকিৎসা নিতে আসা তাদের প্রো-এ্যাকটিভ হাসপাতালে রেফার করেন।

অতিতে আওয়ামী পন্থি ডাক্তার মুজিবের বিরুদ্ধে এইসব অভিযোগ থাকলেও অবশেষে তিনি টাকার বিনিময়ে বনে যান হাসপাতালের নির্বাহী পরিচালক। যার নাকি ভারপ্রাপ্ত পরিচালক হওয়ার যোগ্যতাই হয়নি। তার রয়েছে বিশাল এক ডাক্তার বাহিনি। এছাড়া হাসপাতালের অনেক কর্মকর্তা কর্মচারীকে তিনি টাকা দিয়ে ম্যানেজ করেছেন। হাসপাতালের কর্মকর্তা কর্মচারী ও ডাক্তার যারা তার কথা না শুনে তাদেকে বেতন আটকিয়ে রাখার ও চাকুরী থেকে অব্যহতি দেওয়ারও হুমকি দেন এই অর্থলোভী ডাক্তার।
তিন প্রতিষ্ঠানের কর্ণধার প্রো-্এ্যাকটিভ হাসপাতালের মালিকানা শেয়ার, ”বাংলাদেশ নবজাতক হাসপাতাল” এর মালিক হওয়া সত্বেও তিনি কিভাবে আবার শিশু-মাতৃ স্বাস্থ্য ইনষ্টিটিউট এর নির্বাহী পরিচালক হন।

অথচ একজন কর্মকর্তা সরকারী আইন মোতাবেক একটি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত থাকা অবস্থায় অন্য আরেকটি প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করতে পারবেননা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *