Sunday, June 21বাংলারবার্তা ২১-banglarbarta21
Shadow

আরো অনেক কিছু থেকেই গেল বুলবুল ভাইয়ের থেকে পাওয়ার

বুলবুল ভাই ছিলেন আমাদের অনেক প্রিয় একজন ব্যাক্তি। জিনিয়াস, ট্যালেন্টেড সুরকার, মিউজিশিয়ানকে নিয়ে কথা বললেন জনপ্রিয় সংগিত তারকার রুনা লায়লা। খুব খারাপ লাগছে। কিছু লিখতে পারছি না। কথা জড়িয়ে যাচ্ছে। কষ্ট হচ্ছে, ভীষণ কষ্ট। বুলবুলকে নিয়ে লিখলে শেষ করা যাবে না। তার মতো জিনিয়াস, ট্যালেন্টেড সুরকার, মিউজিশিয়ান লাখে-কোটিতে একটা হয়। বুলবুল ১৯৭১ সাল থেকেই আমাকে বলতেন, ‘আপা, আমি আপনার গান করতে চাই।’ আমি বলতাম, দূর এতটুকু ছেলে, তুমি কি গান করবা। বুলবুল ছিল নাছোড়বান্দা। আমাকে সে বলত, ‘না, আমি আপনার গান করবই। ইতোমধ্যে আপনার জন্য কয়েকটা গান করেছিও।’ এভাবে যখন বলতে থাকল, একদিন বললাম, কই শোনাও তোমার গান। ওর গান শুনে তো আমি হা হয়ে গেলাম। এ রকম গান আমি আগে কখনোই শুনিনি। এত অদ্ভুত ভালো। এতটুকু একটা ছেলের এত সুন্দর মেধা এবং সুর থাকতে পারে, তা আমার জানা ছিল না।

Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!

তার লেখা এবং সুর, মিউজিক সব মিলিয়ে অসাধারণ। প্রতিটি গান যখন গাইতাম, আমার মনে হতো আমি যেন একটা ছবি দেখছি। গানের কথাগুলো এবং সুর এত সুন্দর যে, প্রতিটি গান একেকটা ছবির মতো ভেসে উঠত আমার চোখের সামনে। বিষয়টা আমি ভেতরে ধারণ করেছিলাম। আর সে জিনিসটা ভাবতাম বলেই গানগুলো মন-প্রাণ দিয়ে গাইতে পেরেছিলাম, গেয়েছিলাম। বুলবুলও অসম্ভব খুশি ছিল গানগুলো শুনে।

বুলবুলের সঙ্গে আমার প্রথম গান বিটিভিতে প্রচার হয়। মাঝি নাও ছেড়ে দাও থেকে শুরু। আরও পাঁচ-ছয়টি গান করেছিলাম। এরপর একটার পর একটা অনুষ্ঠানে ওর গান করেছিলাম। বিটিভির কথা আর কী বলব? বিটিভি সব গান সংরক্ষণ করেনি। অসংখ্য গানের মধ্যে আছে সব কটা জানালা, একতারা লাগে না আমার দোতারা লাগে না, সেই রেললাইনের ধারে, ওকে আর করলো না কেউ বিয়ে, ঘুমপাড়িনি মাসি হতে দিব নাসহ অনেক গান। বুলবুলের মৃত্যুতে অপূরণীয় ক্ষতি হয়ে গেল। সেটা বলে বোঝানো যাবে না। দুঃখ লাগে। মন খারাপ হয়।

সবচেয়ে বড় কথা, মাত্র ১৫ বছর বয়সে সে একজন মুক্তিযোদ্ধা ছিল। এত অল্প বয়সে দেশের জন্য যুদ্ধ করা একটা বিরাট ব্যাপার। কিন্তু আমরা কী তার মূল্যায়ন করতে পেরেছি? বুলবুলের মতো একজন প্রতিভাকে আমরা মূল্যায়ন করতে পারিনি। গতবছরের প্রথম দিকে আমরা একটা ছবির গান করেছিলাম। গানটি এখন মনে নেই। এরপর ওর সঙ্গে আর দেখা হয়নি। দেখা করার ইচ্ছা ছিল, কিন্তু সময় ও সুযোগ হয়নি। এখন খারাপ লাগছে। মনে হচ্ছে, আরও একবার যদি ওর সঙ্গে দেখা করে কথা বলতে পারতাম! সেটা আর সম্ভব নয়। বুলবুলের আত্মার শান্তি কামনা করছি।া এরাথেকেই গেল বুলবুল ভাইয়ের প্রতি
বুলবুল ভাই ছিলেন আমাদের অনেক প্রিয় একজন ব্যাক্তি। জিনিয়াস, ট্যালেন্টেড সুরকার, মিউজিশিয়ানকে নিয়ে কথা বললেন জনপ্রিয় সংগিত তারকার রুনা লায়লা। খুব খারাপ লাগছে। কিছু লিখতে পারছি না। কথা জড়িয়ে যাচ্ছে। কষ্ট হচ্ছে, ভীষণ কষ্ট। বুলবুলকে নিয়ে লিখলে শেষ করা যাবে না। তার মতো জিনিয়াস, ট্যালেন্টেড সুরকার, মিউজিশিয়ান লাখে-কোটিতে একটা হয়। বুলবুল ১৯৭১ সাল থেকেই আমাকে বলতেন, ‘আপা, আমি আপনার গান করতে চাই।’ আমি বলতাম, দূর এতটুকু ছেলে, তুমি কি গান করবা। বুলবুল ছিল নাছোড়বান্দা। আমাকে সে বলত, ‘না, আমি আপনার গান করবই। ইতোমধ্যে আপনার জন্য কয়েকটা গান করেছিও।’ এভাবে যখন বলতে থাকল, একদিন বললাম, কই শোনাও তোমার গান। ওর গান শুনে তো আমি হা হয়ে গেলাম। এ রকম গান আমি আগে কখনোই শুনিনি। এত অদ্ভুত ভালো। এতটুকু একটা ছেলের এত সুন্দর মেধা এবং সুর থাকতে পারে, তা আমার জানা ছিল না।

তার লেখা এবং সুর, মিউজিক সব মিলিয়ে অসাধারণ। প্রতিটি গান যখন গাইতাম, আমার মনে হতো আমি যেন একটা ছবি দেখছি। গানের কথাগুলো এবং সুর এত সুন্দর যে, প্রতিটি গান একেকটা ছবির মতো ভেসে উঠত আমার চোখের সামনে। বিষয়টা আমি ভেতরে ধারণ করেছিলাম। আর সে জিনিসটা ভাবতাম বলেই গানগুলো মন-প্রাণ দিয়ে গাইতে পেরেছিলাম, গেয়েছিলাম। বুলবুলও অসম্ভব খুশি ছিল গানগুলো শুনে।

বুলবুলের সঙ্গে আমার প্রথম গান বিটিভিতে প্রচার হয়। মাঝি নাও ছেড়ে দাও থেকে শুরু। আরও পাঁচ-ছয়টি গান করেছিলাম। এরপর একটার পর একটা অনুষ্ঠানে ওর গান করেছিলাম। বিটিভির কথা আর কী বলব? বিটিভি সব গান সংরক্ষণ করেনি। অসংখ্য গানের মধ্যে আছে সব কটা জানালা, একতারা লাগে না আমার দোতারা লাগে না, সেই রেললাইনের ধারে, ওকে আর করলো না কেউ বিয়ে, ঘুমপাড়িনি মাসি হতে দিব নাসহ অনেক গান। বুলবুলের মৃত্যুতে অপূরণীয় ক্ষতি হয়ে গেল। সেটা বলে বোঝানো যাবে না। দুঃখ লাগে। মন খারাপ হয়।

সবচেয়ে বড় কথা, মাত্র ১৫ বছর বয়সে সে একজন মুক্তিযোদ্ধা ছিল। এত অল্প বয়সে দেশের জন্য যুদ্ধ করা একটা বিরাট ব্যাপার। কিন্তু আমরা কী তার মূল্যায়ন করতে পেরেছি? বুলবুলের মতো একজন প্রতিভাকে আমরা মূল্যায়ন করতে পারিনি। গতবছরের প্রথম দিকে আমরা একটা ছবির গান করেছিলাম। গানটি এখন মনে নেই। এরপর ওর সঙ্গে আর দেখা হয়নি। দেখা করার ইচ্ছা ছিল, কিন্তু সময় ও সুযোগ হয়নি। এখন খারাপ লাগছে। মনে হচ্ছে, আরও একবার যদি ওর সঙ্গে দেখা করে কথা বলতে পারতাম! সেটা আর সম্ভব নয়। বুলবুলের আত্মার শান্তি কামনা করছি। আমি তাকে যেভাবে দেখেছি তার ভাষা হয়তো আর পিরে আসবেনা। যদি আরো অনেকগুলো কথা বলতে পারতাম তার সাথে। তবুও তার জায়গাটি চিরদিনই অপুরনীয় থাকবে। সূত্র: আমাদের সময়

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *