Tuesday, June 23বাংলারবার্তা ২১-banglarbarta21
Shadow

সিদ্দিক মীমের সংসার ভাংগন এগুচ্ছে ডিভোর্সের পথে

বিনোদন বার্তা: হয়তো আর একসাথে থাকা হচ্ছেনা সিদ্দিক ও মীমের। গত মাস তিনেক ধরে আলাদা থাকছেন অভিনেতা সিদ্দিকুর রহমান ও তার স্ত্রী বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত স্পেনের নাগরিক মারিয়া মিম। সাত বছরের সংসার জীবন, এখন আর ভালো যাচ্ছে না তাদের। এগুচ্ছে ডিভোর্সের পথে। এরই মধ্যে একজন অন্যজনের বিরুদ্ধে পাল্টাপাল্টি অভিযোগ করে যাচ্ছেন।

Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!

তেব অভিনেতা সিদ্দিকের ভাষ্য অনুযায়ী, তার স্ত্রীকে মিডিয়ায় কাজ করতে নিষেধ করার কারণেই শুরু হয় পারিবারিক দ্বন্দ্ব। তবে সিদ্দিকুর রহমানের এমন অভিযোগ মানতে নারাজ তার স্ত্রী মারিয়া মিম।

মীম এই অনলাইন প্রতিনিধিকে বলেন, ‘শুধু কি মিডিয়ায় কাজ করতে না দেওয়ার কারণে আজকে এই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। একজন মেয়ে কখনও চায় না তার সংসারটা ভেঙে যাক। তার কাছ থেকে আলাদা থাকার অসংখ্য কারণ আছে। এতদিন অনেক কিছু সহ্য করেছি। এখন আর পারছি না। বাধ্য হয়ে আমি তার নামে জিডিও করেছি।’

তবে মারিয়া মিম আরও বলেন, ‘সিদ্দিককে ভালোবেসে স্পেনের বিলাসী জীবন ছেড়ে আমি ওর কাছে এসেছিলাম। বিয়ের আগে ওকে এক রকম দেখেছি। বিয়ের পর থেকেই আমাদের মধ্যে মতের অমিল দেখা দেয়। ওর এই বিষয়গুলো আমি মানতে পারছিলাম না। তারপরও ছেলের মুখের দিকে তাকিয়ে নিরবে সব সহ্য করে গেছি। কিন্তু বিষয়টি দিনদিন অনেক বেশি হয়ে যাচ্ছিল। সিদ্দিক আমার সঙ্গে অনেক প্রতারণা করেছে। সব সময় আমাকে মানসিক টর্চারে রেখেছে। শারীরিক নির্যাতনও করতো। বাধ্য হয়ে আলাদা থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।’

এদিকে মীম সিদ্দিকের বিরুদ্ধে আরও অভিযোগ এনে বলেন, ‘একাধিক মেয়ের সঙ্গে ওর সম্পর্ক রয়েছে। আমার কাছে তার প্রমাণও আছে। সে অনেক রাত করে বাসায় আসতো। এসব নিয়ে আমাদের ঝগড়া লেগেই থাকতো।’

তবে সিদ্দিক তার স্ত্রীর এমন অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তিনি বলেন, ‘এগুলো সব মিথ্যে ও বানোয়াট কথা। এর কোনো প্রমাণ সে দিতে পারবে না। শুরুতে সে সবাইকে বলেছে, আমি তাকে মিডিয়ায় কাজ করতে দেইনি। এখন বলছে এসব।’

গত ২০১২ সালের ২৪ মে অভিনেতা সিদ্দিকুর রহমানের সঙ্গে বিয়ে হয় বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত স্পেনের নাগরিক মারিয়া মিমের। ২০১৩ সালের ২৫ জুন তারা পুত্রসন্তানের বাবা-মা হন। তবে এই সংসার কি টিকবে বা টিকবেনা তা অপেক্ষার বিষয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *