
চাঁদপুর প্রতিনিধি: মাননীয় প্রধান মন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার ঘোষনা দেশের প্রতিটি ঘরে বিদ্যুৎ পৌচে দেয়ার লক্ষে যখন সরকার কাজ করে যাচ্ছে ঠিক তখনী দেশ বিরোধী কুচুক্রিমহল, জামাতের নেতা দেশ ধংশকারী, সরকারের কাজকে স্থবির করে দেশকে ধংশের মুখে ঠেলে দিতে দেশদ্রেহিী সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজ এবং ইসলামের নামে দেশ বিরোধী সংগঠনের নামকরে সরকার বিরোধী আন্দোলন ও দেশের উন্ন্য়নের বিরুদ্ধে হীন মানুষিকতার পরিচয় দানকারী বিএনপি জামাত জোটের নেতা ভোটালের বাসিন্দা ইসমাইল ও তার বাহিনী কর্তৃক অত্যাচারে ভোটাল ও তার আশেপাশের সাধারন জনগন অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে। ইসমাইলে নিজ বাড়ী ভোটাল কমলা বাড়ী, পিতা- মৃত আলী আহমেদ।
Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে সে বর্তমান সরকার বিরোধী অপকর্মে সব সময় লিপ্ত থাকে। সে ও তার বাহিনিী গ্রামে নিষিদ্ধ সংগঠন জামাতের প্রচারনা চালাচ্ছে নিয়মিত। সে জঙ্গি সংঠনের সাথেও জড়িতা থাকার খবর পাওয়া গেছে। গ্রামে সরকার কর্তৃক যে কোন উন্নয়নের বাধা হয়ে দাঁড়ায় ইসমাইল ও তার বাহিনী। সরকার ঘরে ঘরে শতভাগ বিদ্যুৎ পৌচে দেওয়ার লক্ষে কাজের অংশ হিসেবে তার বাড়ী থেকে অন্য বাড়ীতে একটি বিদ্যুতের লাইন গেলে সন্ত্রাসী ইসমাইল পাশের বাড়ী থেকে ৫ লক্ষ চাঁদা দাবী করে আর নয় তার বাড়ীর খুটি থেকে বিদ্যুৎ এর লাইন নিতে দিবেনা। চাঁদা দিতে অস্বিকৃতি জানালে এক প্রর্যায়ে সে নিজেই খুটি থেকে বিদ্যুৎ এর লাইটি কেটে দেয়।
খবর নিয়ে জানা গেছে ভোটাল গ্রামের অধিবাসী সন্ত্রাসী ইসমাঈল বাহিনী তাদের দলবলসহ এলাকার শান্তিপ্রিয় নিরীহ লোকদের চলাচলের রাস্তা দখল, ফতোযাবাজী, চুরি ও চাঁদাবাজীসহ নানাবিধ জঘন্যতম অপকর্ম করিয়া থাকে। বর্তমান সরকারের অঙ্গীকার মোতাবেক দেশের প্রতিটি ঘরে বিদ্যুৎ পৌঁছে দেওয়ার ঘোষনায় চাঁদপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতিতে আবেদনের প্রেক্ষিতে ১৫০নং লটের আওতায় পাশের বাড়ীতে বিদ্যুৎ লাইন সংযোগ প্রদানের অনুমোদন সাপেক্ষে সরকারী নকশা মোতাবেক ইসমাইলের বাড়ীতে বসানো বৈদ্যুতিক পিলার থেকে পাশের বাড়ীতে বৈদ্যুতিক সংযোগ প্রদান করা হয়। সন্ত্রাসী চাঁদাবাজ ইসমাঈল গং পাশের বাড়ীতে সংযুক্ত সরকারী বিদ্যুৎ লাইন নেওয়ার জন্য পূর্বক পাঁচ লক্ষ টাকা চাঁদা দাবী করেন। পাশের বাড়ীর লোকজন চাঁদা প্রদানে অস্বীকার করিলে ইসমাইল গং ও তার দলবল নিয়ে পাশের বাড়ীতে স্থাপিত সরকারী বিদ্যুৎ খুঁটি উত্তোলনের উদ্দেশ্যে লাঠি-সোঠা ও দেশীয় অস্ত্র দা/ছেনী নিয়ে উপস্থিত হন, এসময় পাশের বাড়ীতে বসবাসরত ও তাদের আত্মীয়-স্বজন সন্ত্রাসী ইসমাইল ও তার বাহিনীর আসা টের পেয়ে চিৎকার চেঁচোমেচি শুরু করিলে ইসমাইল ও তার দলবল দাবীকৃত পাঁচ লক্ষ টাকা চাঁদা প্রদানের জন্য হুমকী-ধামকী প্রদান করে দ্রæত ঘটনাস্থল ত্যাগ করিয়া চলিয়া যান।
নানান অপকর্মের হোতা ইসমাইল বিষয়টি নিয়ে প্রকোশলী বরাবর দরখাস্থ করিলে চাঁদপুর পল্লি বিদ্যুৎ সমিতি তদন্ত পূর্বক ইসমাইল ও তাদের বাড়ীর কোন ক্ষতি হবেনা মর্মে প্রতিবেদন দেন এবং আবারো সংযোগ লাগাতে আসলে ইসমাইল ও তার গংরা মিলে সরকারী লোকদের দেশীয় অস্ত্র নিয়ে তাড়া করে তাদের এলাকা থেকে তাড়িয়ে দেন। পরে সে হীন মানুষিকতার পরিচয় দিয়ে ইসমাইল গং চাঁদপুর পল্লি বিদ্যুৎ সমিতির জিএম, প্রকোশলী ও কন্ট্রাকটরের বিরু্েদ্ধ ৫৪ ধারা একটি মামলা করেন।
এছাড়াও পাশের বাড়ী থেকে ভোটাল স্কুলে, মকতবে ও মসজিদে আসার একমাত্র পথ ভোটাল স্কুলের সামনের সরকারী রাস্তার সাথে সংযুক্ত বহু বছরের পুরোনো একমাত্র রাস্তাটিও সন্ত্রাসী ইসমাইল হোসেন ও তার ভাই মো: ইসহাক নিজেদের জায়গা দাবী করে দীর্ঘদিন যাবৎ রাস্তাটির উপর টিনের বেড়া দিয়ে চলাচলে প্রতিবন্ধকতা সৃস্টি করে ধারাবাহিকভাবে হুমকী-ধামকী প্রদান করে আসছেন। বিদ্যুৎ সংযোগ ও রাস্তার বিষয়ে তাদের সাথে বিভিন্ন তারিখ ও সময়ে আলাপ-আলোচনা ও সামাজিক ভাবে আপোষের চেস্টা করা হলেও তারা পাশের বাড়ীর লোকজনের শান্তিপূর্ণ আহŸানে সাড়া না দিয়ে ফতোয়া জারী করে বিভিন্ন প্রকার লিফলেট বিতরন ও হুমকী-ধামকী প্রদান করে আসছেন, এবং তারা পাশের বাড়ীর লোকজন ও তাদের আপনজনদের বিরুদ্ধে মিথ্যা বানোয়াট ভিত্তিহীন অভিযোগ আনয়ন করিয়া বিভিন্ন অফিসে দাখিল করিয়া আসিতেছে। যার কারনে পুরো গ্রামে বৈদ্যুতিক লাইন চালু হলেও একমাত্র শেখ বাড়ীতে কোন লাইন সংযোগ চালু হয়নাই। সর্বশেষ নানান অপকর্মের হোতা সন্ত্রাসী ইসমাঈল গং শেখ বাড়ীর বসত বাড়ীতে দলবলসহ উপস্থিত হয়ে আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে দাবীকৃত পাঁচ লক্ষ টাকা চাঁদা প্রদানের ব্যর্থতায় ভয়াবহ প্রান-নাশের হুমকী প্রদান করেন। সরকার এবং তার মিত্রদের বিরুদ্ধে এহেন অবৈধ কর্মকান্ডে সামাজিকভাবে পারষ্পরিক বিরোধ, শত্রæতা, ঘৃণা এবং বিদ্বেষের সৃষ্টি হইয়াছে। শেখ বাড়ীর লোকজন এখন সন্ত্রাসী ইসমাইল ও তার গংদের ভয়ে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে। সরকারী ভাবে তদন্ত পূর্বক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহনের দাবী জানা ভুক্তভোগীরা।
বিস্তারিত আরো থাকছে পরের সংখ্যায় দেখতে চোখ রাখুন।

