
বার্তা প্রতিনিধি: চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তপক্ষ ও সিটি কর্পোরেশনের উদ্যেগে কর্ণফুলী নদীর উত্তর পাড়ে অবৈধ স্থাপনায় ব্যাপক উচ্ছেদ অভিযান চলছে। সোমবার সকাল ১০টা ১৫ মিনিটে সদরঘাট থেকে অভিযান শুরু হয়। উচ্ছেদ অভিযানে নেতৃত্ব দিচ্ছেন পতেঙ্গা সার্কেলের সহকারী কমিশনার (ভূমি) তাহমিলুর রহমান।
Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!অভিযানে বেশ কিছু অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হচ্ছে। তবে অভিযানের খবর পেয়ে আগেই নদীর পাড়ের অবৈধ কাঁচা, সেমিপাকা, পাকা স্থাপনা সরিয়ে নিয়েছে অনেকে। অনেকেই ক্রেন, গ্যাস কাটার, শ্রমিক দিয়ে নিজ নিজ স্থাপনা সরিয়ে নিচ্ছে।
উচ্ছেদ অভিযানে র্যাব, পুলিশ, ফায়ার সার্ভিসসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বিপুলসংখ্যক সদস্য অংশ নিচ্ছে। অবৈধ স্থাপনা ভাঙার জন্য চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন (চসিক) ও চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (চউক) বুলডোজার, স্ক্যাভেটার, পে-লোডার, ট্রাকসহ সরঞ্জাম দিয়েছে। ১০০ শ্রমিক উচ্ছেদ অভিযানে অবৈধ স্থাপনা ভাঙার কাজ করছে।
সহকারী কমিশনার (ভূমি) তাহমিলুর রহমান জানিয়েছেন, সদরঘাট থেকে বারিকবিল্ডিং পর্যন্ত ২০০ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হবে। এতে ১০ একর জমি উদ্ধার করা হবে।
নদীর পাড় যেন আবার দখল না হয় সেজন্য সীমানা পিলার স্থাপন করা হচ্ছে।
২০১০ সালে কর্ণফুলী নদীর গতিপথ স্বাভাবিক রাখতে নদীর সীমানা নির্ধারণ, দখল, ভরাট ও নদীতে যেকোনো ধরনের স্থাপনা নির্মাণ বন্ধ রাখতে হাইকোর্টে রিট দায়ের করে হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশ নামের একটি সংগঠন।
এর পরিপ্রেক্ষিতে ২০১০ সালের ১৮ জুলাই কর্ণফুলী নদীর প্রকৃত সীমানা নির্ধারণ করে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক ও ভূমি জরিপ অধিদফতরের মহাপরিচালককে নির্দেশ দেন হাইকোর্ট।

