
আগামী ক্রিকেট বিশ্বকাপে কাতারে গাইতে যাবেন অরিজিৎ। ভারত মানে ক্রিকেটের পাগল। ক্রিকেট তারকারা সেখানে ইশ্বরের মতো ভক্তি পান। ভারতীয় গায়ক অরিজিৎ সিংও পছন্দ করেন দেশের ক্রিকেট। কিন্তু তাকে বেশি টানে ফুটবল। সেই স্কুল বয়স থেকে ফুটবল দেখতে ভালোবাসেন তিনি। ২০০৫ সালে রিয়েলিটি শো’য়ের মাধ্যমে উঠে আসা অরিজিং ক্রীড়া বিষয়ক সংবাদমাধ্যম গোলডটকমের সঙ্গে কথা বললেন তার সেই ফুটবল ভক্তি নিয়ে। জানালেন একটা ইচ্ছার কথাও। সুযোগ হলে কণ্ঠ দিতে চান কাতার বিশ্বকাপে।
Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!অরিজিং সিং বলেন, ‘আমাদের এখানে ফুটবলের ভক্ত হওয়া মানে সে অন্যদের থেকে কিছুটা আলাদা। এখনও আমি ফুটবলের অনেক খবর রাখি।’ নিজে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের ভক্ত বলেও উল্লেখ করেন অরিজিৎ।
যে কোন বিশ্বকাপে সংগীত মোটামুটি অপরিহার্য। বিভিন্ন সংস্কৃতির নাচে-গানে দারুণ উন্মাদনা সৃষ্টি করে পর্দ ওঠে বিশ্বকাপের। আর তাই অরিজিৎ জানালেন কাতার বিশ্বকাপে গান করতে চান তিনি। সেই সুযোগ যদি তিনি পান নিজেকে খুব সম্মানিত মনে করবেন। অরিজিৎ বলেন, ‘আমি সত্যি বিশ্বকাপের মঞ্চে গান করতে পারলে খুব খুশি হবো। এমন সুযোগ প্রত্যেক দিন আপনার সামনে আসবে না। বড় সম্মানের ব্যাপার হবে ওটা।’
ফুটবল আধিপত্য মূলক ইউরোপ এবং দক্ষিণ আমেরিকা কেন্দ্রিক। কিন্তু এশিয়া মহাদেশের কাতার আগামী বিশ্বকাপের আয়োজক। মরুর বুকে, বেশ গরমের মধ্যে হবে কাতার বিশ্বকাপ। তবে অরিজিতের মতে, ‘কাতারে দারুণ এক বিশ্বকাপ হবে। তাদের সংস্কৃতি, ফুটবলের প্রতি ভালোবাসা অন্যরকম। সুন্দর তাদের স্টেডিয়ামগুলো। আমার মনে হয়, ভক্তদের খুব টানবে কাতার বিশ্বকাপ।’
ভারতের ফুটবল নিয়ে তিনবারের ফিল্ম ফেয়ার জেতা এই তারকা জানান, তাদের দেশেও ফুটবলে উন্নতি করছে। অবকাঠামো গড়ে তোলা হচ্ছে। বাঙালী হলেও কলকাতার ছেলে তিনি নন। মুর্শিদাবাদে বেড়ে ওঠা তার। তাদের বাংলায় ডার্বি ম্যাচ মানে বাঙাল বনাম ঘোটি। তবে তার বাবা পাঞ্জাবি ছিলেন বলে তাদের সংসারে ওই ফুটবল ঝামেলাটা ঢুকতে পারেনি। অরিজিৎ আশাবাদী তিনি সুস্থ থাকলে অবশ্যই গাইবেন ভারতের পক্ষে কাতারে অনুষ্ঠিত ক্রিকেট বিশ্বকাপে।

