Wednesday, June 24বাংলারবার্তা ২১-banglarbarta21
Shadow

খুনের আসামী হয়েও দিব্বি ঘুরে বেড়ান আসামীরা, ক্ষমতার জোরে হুমকি দিয়ে আপোসনামায় স্বাক্ষর করতে বাধ্য করে বাদিকে

মাত্র ৮ শতক জায়গা নিয়ে দ্বন্ধের জের ধরে প্রান দিতে হলো নিরাপরাধ মামুনকে। বাবা রফিক মিয়া, নশিপুর, নইয়ার বাজার, দাউদকান্দি, কুমিল্লা অন্যের জমিতে কাজ করে খান। বাবা রফিক মিয়া, বড় ছেলে মামুন ও ছোট ছেলে সাদ্দাম এবং মামুনের মা মিলে ছোট সংসার। ছেলেকে খুনি চক্রের সদস্য আলি আকবর কর্তৃক বাড়ী থেকে ডেকে নিয়ে যাওয়ার পর গভীল রাত পর্যন্ত ঘরে না পেরায় সারারাত খোঁজার পর পরদিন পাশের বাড়ির ভুট্টা ক্ষেতে ছেলের নিথর লাশ দেখে বাবার আত্বনাধ আর নিথর দেহের প্রতি তাকিযে মা হয়েছিলেন বাকরুদ্ধ।

Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!

৫/৭ দিন আগে জমি নিয়া বিরোধের জের ধরে রফিক মিয়া ও তার ছেলের সাথে আসামিদের ঝগড়া ও কথা কাটি হয়। সেখানে উপস্থিত আসামী আলি আকবর ও ওসমান মিয়া তাকে দেখে নেবে বলে এবং মেরে লাশ গুম করার হুমকি দেন। অতপর (আলি আকবর, ওসমান মিয়া) কামাল মিয়া, কাজল মিয়া ও নিজাম মিয়াকে খবর দেন। যেহেতু এরা সরকারী চাকুরী করেন সে সুবাদে ৮ তারিখ শুক্রবার তারা ঢাকা থেকে বাড়ীতে যায় এবং মামুনকে খুন করার পরিকল্পনা করে। থানার এজাহারের তথ্যমতে পরে ৯ তারিখ শনিবার রাত আনুমানিক ০৯.১৫ মিনিটে ১নং আসামি রকিব মিয়া মামুনকে তার বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যান এবং সকল আসামিরা মিলে এছাড়াও মোখলেচ মিয়া, পিতা মনচুর আলী- নুরে আলম, পিতা সাইফুল ইসলাম কে নারায়ন গঞ্জের সোনারগাঁও থেকে তাদের ভাড়া করে এনে সবাই মিলে মামুনকে পাশের বাড়ির আলমাস মিয়ার ভুট্টাখেতে নিয়ে দা দিয়ে কুপিয়ে ও বাম চোখ উপড়ে পেলে এবং তাৎক্ষনিক শাষ রোধ করে হত্যা করে।

রফিকুল ইসলাম ছেলের খুনের জন্য প্রথমে থানায় মামলা করেন যার মামলা নং- ১৪, ধারা ৩০২ ও ২০১/৩৪ পরে এটি কোটে পাঠানো হয় যার জেএল নং-২২৬। পুলিশের চার্জসিট দেওয়ার পরও আসামিরা আওয়ামী লীগের ক্ষমতার দাপটে জাবিন নিয়ে দিব্বি ঘুরে বেড়ান আর করছেন সরকারী চাকুরীও। মামলা তুলে নিতে আসামিরা বাদীকে বার বার তাগিদ দিতে থাকেন। দেন খুন হওয়া মামুনের বাবা রফিক মিয়াকেও মেরে ফেলার হুমকি।

২০১১ সাল থেকে গরীব অসহায় রফিক মিয়া ছেলের খুনের বিচার চাইতে চাইতে নিস্ব হয়ে যান আর ঘুরেছেন সাবেক চেয়ারম্যান, উপজেলা চেয়ারম্যান ও নেতাদের ধারে ধারে। আসামীরা আওয়ামী লীগের কর্মি হওয়ায় রফিক মিয়া বিচার পাননি কোথাও। অবশেষে শোকে ষ্টোক করে ২০১৭ রফিক মিয়া মারা যান। পরে রফিক মিয়ার ছোট ছেলে সাদ্দাম হোসেনকে মামলা তোলার জন্য চাপ দিতে থাকে এবং মামলা না তুলরে তাকেও মেরে গুম করার হুমকি দেন কামাল ও কাজল গংরা।

কাজল ও কামাল গংরা মিলে ও গ্রামের কয়েকজন সন্ত্রাসী বাহিনি মিলে জোর করে সাদ্দাম হোসেন থেকে মামলার নিস্পত্তির একটি আপসনামা নেন। নিরিহ অসহায় সাদ্দাম হোসেন সংসারে একমাত্র মা ও স্ত্রী এবং দু-সন্তানের দিকে তাকিয়ে আপসনামায় সই করেন। কিন্তু খুনের মামলার কোন আপোসনামার হয় কিনা তা জানা নেই।

বর্তমানে মামলাটি কুমিল্লা জজ কোটে মাননীয় বিজ্ঞ আদালত-৩ এ বিচারাধিন রয়েছে। যার মামলা নং- ৬১০/১৭

মামলাটির সকল স্বাক্ষি নেওয়ার পরও কারো কোন সাজা না হওয়ায় জনমনে প্রশ্ন। এলাকার গন্যমান্য ব্যক্তিগন ও সাধারন লোকজন সহ এবং নিহত মামুনের ছোট ভাই সাদ্দাম হোসেন তার ভাইয়ের হত্যাকারিদের বিচার চান। কিন্তু ভয়ে মুখ খুলতে পারছেননা কামাল ও কাজল গংদের ভয়ে। ঠক প্রতারক দুর্নিতিবাজ পরধন হননকারী খুনি আালি আকবর গংদের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলাটি পূণ তদন্ত করে তাদের শাস্থির আওতায় আনা একান্ত প্রয়োজন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *