Sunday, July 5বাংলারবার্তা ২১-banglarbarta21
Shadow

কিশোরীর দর্ষক ৬২ বছরের বৃদ্ধা আদালতে দোষ স্বীকার

বার্তা প্রতিনিধি: আবেগে নয় হিংসার বসোবতি হয়ে কিশোরী মেয়েটিকে ডেকে নিয়ে দর্ষন করে ৬২ বছরের এক বৃদ্ধ।। তাই অনেক জল্পনার পর রাজশাহীর চারঘাট থেকে গ্রেপ্তার হওয়া ধর্ষণ মামলার আসামি শাহজাহান গাজী (৬২) আদালতে নিজের দোষ স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছেন। গতকাল বৃহস্পতিবার রাজশাহীর আমলি আদালত-১–এর বিচারক আবদুল্লাহ আল আমিন ভূঁইয়ার কাছে তিনি এ স্বীকারোক্তি দেন।

Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!

এক কিশোরীকে (১৩) ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেপ্তার হওয়া শাহজাহান গতকাল আদালতে দোষ স্বীকার করে বলেন, ‘আমি বিশ্বাস করি, আমি পাপ করেছি। আমার বিচার হওয়া উচিত।’ ধর্ষণের শিকার ওই কিশোরী ইতিমধ্যে অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েছে।

শাহজাহান গাজী চারঘাটে ২০ বছর ধরে বসবাস করছেন। তবে তাঁর মূল গ্রামের বাড়ি নোয়াখালীতে। ধর্ষণের শিকার কিশোরী তাঁর প্রতিবেশী। স্থানীয় লোকজন জানান, শাহজাহান গাজী চারটা বিয়ে করেছেন। তার মধ্যে একজনকে তাড়িয়ে দিয়েছেন। দুজন মারা গেছেন আর একজন তাঁর সঙ্গেই থাকেন।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, গতকাল চারঘাট থানার পুলিশ শাহজাহান গাজীকে গ্রেপ্তার করে আদালতে সোপর্দ করে। আদালতের বিচারক তাঁকে তিন ঘণ্টা চিন্তা করার সময় দেন। পরে বিকেলে তাঁর জবানবন্দি রেকর্ড করেন। আদালতে শাহজাহান গাজী স্বেচ্ছায় নিজ দোষ স্বীকার করেন।

চারঘাট মডেল থানার ওসি নজরুল ইসলাম কিশোরীর বাবার বরাত দিয়ে জানান, বাচ্চা মেয়েটি শাহজাহান গাজীর কাছে পড়ত। তাঁরা সরল মনে মেয়েকে শাহজাহান গাজীর বাসায় পাঠাতেন। কিন্তু বাচ্চা মেয়েটির সরলতার সুযোগ নিয়ে শাহজাহান তাকে একাধিকবার ধর্ষণ করেন।

ওসি জানান, মেয়েটির মা প্রথম বিষয়টি বুঝতে পারেন। তবে মান–সম্মানের ভয়ে তিনি বিষয়টি চেপে যান। পরে সন্দেহ হলে তিনি স্থানীয় একটি ক্লিনিকে নিয়ে গিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে জানতে পারেন, তাঁর মেয়ে তিন মাসের অন্তঃসত্ত্বা। ৩ ফেব্রুয়ারি বিষয়টি মেয়ের বাবা জানতে পারেন। পরদিন তিনি চারঘাট থানায় মামলা করেন। গত বুধবার বিকেলে পুলিশ উপজেলার গোবিন্দপুর এলাকা থেকে শাহজাহান গাজীকে গ্রেপ্তার করে। তবে দর্ষকের বিচার হওয়ায় মেয়েটির পরিবার খুশি হলেও মেয়ের জীবন নিয়ে সংকায় রয়েছেন তারা।
সূত্র: প্রথম আলো

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *