Thursday, March 5বাংলারবার্তা ২১-banglarbarta21
Shadow

এখনো ধোয়ায় আচ্ছন্ন বিএম ডিপো এলাকা মাঝে মাঝে আগুনও জ্বলছে

গত ৪জুন রাত ১০টার দিকে চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে কনটেইনার ডিপোতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ৩৬ ঘণ্টা পেরিয়ে গেলেও আগুন পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আসেনি। সোমবার (৬ জুন) সকাল ৭টায় এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত ডিপোতে আগুন জ্বলছিল, উঠছিল ধোঁয়া। অন্যদিকে, আগুন নিয়ন্ত্রণে বিরামহীন চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন ফায়ার সার্ভিস ও সেনাসদস্যরা। এখনো জ্বলছে আগুন, উঠছে ধোঁয়া

Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!

নাম পরিচয় প্রকাশে অনিচ্ছুক ফায়ার সার্ভিসের এক সদস্য জানান, ডিপোর পশ্চিম পাশের যে কটি কনটেইনার আছে, এখনো সেগুলো জ্বলছে। সেখানে রাসায়নিক না থাকলে আগুন হয়তো আর ছড়াবে না। কিন্তু রাসায়নিক থাকলে নতুন বিস্ফোরণের আশঙ্কা আছে। কিন্তু সেখানে রাসায়নিক আছে কি না, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

কুমিরা ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা যায়, ঘটনাস্থলে ফায়ার সার্ভিসের ২৫টি ইউনিট কাজ করছে। ১২টি বিশেষ গাড়ির সাহায্যে জ্বলন্ত কনটেইনারগুলোতে নিরবচ্ছিন্ন পানি ছিটানোর কাজ চলছে। কোনো গাড়ির পানি শেষ হলে সেখানে নতুন গাড়ি পাঠানো হচ্ছে। এছাড়া নোয়াখালী, ফেনী, লক্ষ্মীপুর ও কুমিল্লাসহ আশপাশের বিভিন্ন জেলা থেকেও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ঘটনাস্থলে এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করছেন। আর আগুন নেভানোর পুরো কাজের নেতৃত্ব দিচ্ছেন ফায়ার সার্ভিসের সহকারী পরিচালক ফারুক হোসেন সিকদার।

এদিকে ঘটনাস্থলে ফায়ার সার্ভিসের সদস্য ছাড়াও সেনাবাহিনী ও পুলিশ সদস্যরাও কাজ করছেন।

চট্টগ্রাম সীতাকুন্ডের সোনাইছড়ি বিএম ডিপোতে গত শনিবার (৪ জুন) রাত ৮টার দিকে বিএম কনটেইনার ডিপোর লোডিং পয়েন্টের ভেতরে আগুনের সূত্রপাত হয়। কুমিরা ফায়ার সার্ভিসের তিনটি ইউনিটের সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে প্রথমে আগুন নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করেন। রাত পৌনে ১১টায় এক কনটেইনার থেকে অন্য কনটেইনারে আগুন ছড়িয়ে পড়ে।

সেখানে কয়েকটি কন্টেইনারে রাসায়নিক থাকায় একটি কনটেইনারে বিকট শব্দে বিস্ফোরণ ঘটে। এতে ফায়ার সার্ভিস, পুলিশ, স্থানীয় শ্রমিকসহ অনেকে হতাহত হন। পুড়ে যায় ফায়ার সার্ভিসের একটি গাড়িও।

সীতাকুন্ডে এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় নিহতের সংখ্যা এক এক করে বেড়েই চলেছে। সবশেষ পাওয়া খবর অনুযায়ী, এখন পর্যন্ত নয় জন ফায়ার সার্ভিস কর্মীসহ ৫০ জনের মৃত্যু হয়েছে। দগ্ধ হয়েছেন চার শতাধিক। এখনো আগুন নিয়ন্ত্রণে আসেনি। আগুন নিয়ন্ত্রণে এখনো কাজ করছে ফায়ার সার্ভিসের ২৫টি ইউনিট।

সরকারী ভাবে নগদ অর্থ ও শুকনো খাবার বরাদ্ধ রাখা হয়েছে। জুরুরী চিকিৎসা দেওয়ার অনেককে ঢাকাও নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। আর হাসপাতালগুলোতে স্বজনদের আহাজারীতে ভারী হয়ে ‍উঠছে। হে আল্লাহ তুমি সকলকে মাক করে দাও।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *