Wednesday, June 24বাংলারবার্তা ২১-banglarbarta21
Shadow

যৌন হয়রানীর অভিযোগ উঠেছে শিক্ষিকার বিরুদ্ধে

বার্তা প্রতিনিধি: ভারতে এখন শিক্ষার অবক্ষয়ে যৌন কুসংকারে ভরে গেছে। তারই ধারাবাহিকতায় এবার দশম শ্রেণির এক ছাত্রকে (১৫) নিয়ে পালানোর অভিযোগে উঠেছে এক শিক্ষিকার বিরুদ্ধে। এই ঘটনায় ওই শিক্ষিকাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইন্ডিয়ার খবরে বলা হয়, ঘটনাটি ভারতের হরিয়ানা প্রদেশের ফতেহাবাদে। গত শুক্রবার থেকে নিখোঁজ ছিলেন ওই শিক্ষিকা এবং ছাত্র। সোমবার অভিযান চালিয়ে ২৯ বছর বয়সী ওই নারী শিক্ষককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

ঘটনার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও পুলিশের পরিদর্শক সুরেন্দ্রর কুমার বলেছেন, বিচার বিভাগীয় আদালত ওই শিক্ষিকাকে রিমান্ডে পাঠিয়েছেন।

পুলিশ জানিয়েছে, ১৫ বছরের ওই ছাত্রকে নিয়ে গত শুক্রবার থেকে পলাতক ছিলেন ওই শিক্ষিকা। পরে স্কুলের অধ্যাপকের কাছে বিষয়টি সন্দেহজনক মনে হওয়ায় তিনি উভয়ের পরিবারকে ডাকেন।

এ ঘটনার পর ওই ছাত্রের বাবা খুনের উদ্দেশে তার ছেলেকে অপহরণ করা হয়েছে বলে শিক্ষিকার বিরুদ্ধে অভিযোগ এনে ফতেহাবাদ সিটি পুলিশ স্টেশনে মামলা দায়ের করেন। প্রলোভন দেখিয়ে ও চাপ প্রয়োগ করে তার ছেলেকে ওই শিক্ষিকা নিয়ে গেছেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করেছেন তিনি।

পুলিশ বলছে, ওই ছাত্রের সঙ্গে শিক্ষিকা প্রায়ই যোগাযোগ করতেন বলে তদন্তে উঠে এসেছে। এছাড়া সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যোগাযোগের মাধ্যমে দু’জন মোবাইল নম্বরও বিনিময় করেছে।

পুলিশ পরিদর্শক সুরেন্দ্রর কুমার বলেন, আমরা তদন্তে জানতে পেয়েছি যে, ওই ছাত্র ও শিক্ষিকা বেশ কয়েকবার মোবাইলে ফোনে কথা বলেছেন। শুক্রবার বাড়িতে মোবাইল ফোন রেখে চলে যান ওই শিক্ষিকা। সোমবার সকালে ফতেহাবাদ থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে বিচারকের সামনে ছাত্রকে তোলা হলে সেখানে বিস্তারিত তথ্য জানায় সে।

অভিযুক্ত ওই নারী শিক্ষিকা ছাত্রের সঙ্গে পালিয়ে যাওয়ার তথ্য স্বীকার করেছেন। ওই ছাত্রকে হরিয়ানার হিসার থেকে সঙ্গে নেওয়ার পর জম্মু-কাশ্মিরের কাটরা এলাকায় যান তিনি। এছাড়া ছাত্রের সর্বশেষ অবস্থান কাটরা এলাকায় ছিল বলে জানিয়েছে পুলিশ।

তবে ছাত্রের সঙ্গে জোরপূর্বক কোনো শারীরিক সম্পর্ক অস্বীকার করেছেন ওই শিক্ষিকা।

এ বিষয়ে পুলিশ পরিদর্শক সুরেন্দ্রর কুমার বলেন, ‘আমরা এখন পর্যন্ত এ ধরনের কোনো তথ্য পাইনি। এছাড়া তাদের মেডিকেল পরীক্ষাও করা হয়নি। গ্রেপ্তারের পরপরই ওই শিক্ষিকাকে আদালতে হাজির করা হয়। ঐ পরিবার সুষ্ঠ বিচারের দাবী জানান।
সুত্র: আামাদের সময়

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *