
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান জানিয়েছেন, নানা অভিযোগের ভিত্তিতে ৭ হাজারেরও বেশি দলীয় সদস্যের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। দুর্নীতি, চাঁদাবাজি ও অসদাচরণের দায়ে কেউ পদচ্যুত হয়েছেন, কেউ আবার বহিষ্কৃত হয়েছেন। তিনি বলেন, বহুমুখী অপপ্রচার সত্ত্বেও এ ধরনের কঠিন সিদ্ধান্ত বাস্তবতার পরিপ্রেক্ষিতে ছিল অপরিহার্য। শৃঙ্খলা দুর্বলতা নয়, বরং সেটিই দলের শক্তি।
Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!আরো জানতে পড়ুন: রাবি রাকসু নির্বাচনে ৪২ প্রার্থী বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিজয়ী
বৃহস্পতিবার নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে তারেক রহমান লেখেন, এখন বিএনপির অন্যতম দায়িত্ব হলো দেশের প্রতিটি ভোটারের আস্থা অর্জন করা। এ লক্ষ্যে তরুণ প্রজন্মের আশা-আকাঙ্ক্ষাকে গুরুত্ব দিয়ে দল সমাজের প্রতিটি শ্রেণি-পেশার মানুষের কাছে পৌঁছাচ্ছে এবং গ্রাম থেকে কেন্দ্র পর্যন্ত সাংগঠনিক কাঠামোকে আরও মজবুত করছে। এর মাধ্যমে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করা হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
আরো জানতে পড়ুন: ব্যাংকবহির্ভূত ৯ আর্থিক প্রতিষ্ঠান বন্ধ করার উদ্যোগ কেন্দ্রীয় ব্যাংকের
তিনি আরও বলেন, তরুণরা বাস্তব সুযোগ চায়, ফাঁকা বুলি নয়। জনগণ চায় স্থিতিশীলতা, বিশৃঙ্খলা নয়। আর আন্তর্জাতিক মহল চায় বাংলাদেশ হোক বিশ্বাসযোগ্য ও সম্মানিত গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র। এসব প্রত্যাশা পূরণে বিএনপি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। সহকর্মী ও নেতাদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, “আসুন, আমরা ঐক্যবদ্ধ ও শৃঙ্খলাবদ্ধ থেকে জনগণের সেবায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ থাকি। আমি যেমন আপনাদের ওপর আস্থা রাখি, আপনাদেরও আমার প্রতি আস্থা রাখতে হবে। তাহলেই গণতন্ত্রের পথ উজ্জ্বল হবে।”
তারেক রহমানের মতে, দায়বদ্ধতার এই পদক্ষেপ প্রমাণ করে বিএনপি সততার বিষয়ে আন্তরিক। যে মানদণ্ড ক্ষমতাসীনদের কাছ থেকে দাবি করা হয়, নিজেদেরও সেই মানদণ্ডে দাঁড় করানো হচ্ছে। এর মাধ্যমে জনগণের আস্থা পুনর্গঠন করা এবং বিশেষ করে তরুণদের রাজনীতিকে একটি অংশগ্রহণমূলক মহৎ ক্ষেত্র হিসেবে দেখতে উৎসাহিত করা হবে।
আরো জানতে পড়ুন: জুলাই ঘোষনা পত্র যা ছিল তা হুবহু তুরে ধরা হলো
তিনি আরও জানান, বিএনপি সবসময় সময়ের চাহিদা ও চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় নিজেদের আধুনিকায়ন করেছে। দলের পরিচয় হলো সেবা ও ন্যায়বিচারের প্রতীক। ৩১ দফা কর্মসূচির ভিত্তিতে প্রণীত নীতিমালায় নারী, তরুণ ও পেশাজীবীদের আরও বেশি অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর মাধ্যমে জাতি এগিয়ে যাবে এবং রাজনীতি মানুষের প্রকৃত সেবায় নিয়োজিত হবে।

