
চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আলহাজ্ব আ জ ম নাছির উদ্দীনের নিকট
বঙ্গবন্ধুর জন্মশত বার্ষিকী উপলক্ষে ঘোষিত মুজিববর্ষ ভিন্ন আঙ্গিকে পালনের লক্ষ্যে
আজ সকালে বাংলাদেশের মুক্তি সংগ্রাম ও মুক্তিযুদ্ধ গবেষণা কেন্দ্র ট্রাস্ট
চট্টগ্রামের চেয়ারম্যান ডা.মাহফুজুর রহমান স্মারকলিপি প্রদান করেন। চসিক
টাইগারপাসস্থ মেয়র কার্যালয়ে স্মারকলিপি প্রদানকালে ডা.মাহফুজুর রহমান
চট্টগ্রাম নগরীতে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের নাম ফলক বা সাইনবোর্ড বাংলায় লিখার
ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সিটি মেয়রের সার্বিক সহযোগিতা কামনা করেন। এছাড়া
স্মারকলিপিতে উল্লেখ আছে যে, বাংলা ভাষার জন্য যিনি আজীবন লড়েছেন মূলত
বাংলা ভাষা ও সংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠিত করার জন্য যিনি বাঙালি জাতীয়তাবাদী
আন্দোলনের জন্ম দিয়ে দেশ শাসন করেছেন। এমনকি সরকার প্রধান হওয়ার পরও বাংলা
ভাষা প্রচলনের জন্য নিরন্তন চেষ্টা করে গেছেন। সেই বঙ্গবন্ধুর প্রতি শ্রদ্ধা
জানানোর একটি অন্যতম শ্রেষ্ঠ উপায় হতে পারে বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকীতে
চট্টগ্রামের সকল বেসরকারি প্রতিষ্ঠান,বাণিজ্যিক, শিক্ষা ও শিল্প প্রতিষ্ঠানের নাম
ফলক বাংলা ভাষায় প্রাধান্য দিয়ে লেখা। বঙ্গবন্ধুর প্রতি সম্মান জানানোর আরো
উপায় হলো সংবিধানে উল্লেখিত রাষ্ট্রের লক্ষ্য সমূহ বাস্তবায়িত করা। এ ক্ষেত্রে নাম
ফলকে বাংলার প্রাধান্য আনার ক্ষমতা রয়েছে সিটি কর্পোরেশনের। এই ক্ষেত্রে আইন ও
আদালতের আদেশও আছে। তারা বঙ্গবন্ধুর জন্মশত বার্ষিকীর শুরুকে স্মরনীয় করে রাখার
এবং জাতীয় নেতা, ভাষা শহীদ এবং মুক্তিযোদ্ধা ও নির্যাতিতদের আকাংখার
প্রতিফলন ঘটানোর আহবান জানান। মেয়র তাদের বক্তব্য ধৈর্য্য সহকারে শুনেন এবং
চট্টগ্রামে সকল প্রতিষ্ঠানের সাইনবোর্ড বাংলায় লিখনের জন্য চট্টগ্রাম
সিটি কর্পোরেশনের পক্ষ থেকে সব ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস প্রদান করেন।
এই প্রসঙ্গে মেয়র বলেন ইতোপূর্বেও চসিক বাংলায় সাইনবোর্ড লেখার জন্য
ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনার মাধ্যমে কালো কালি দ্বারা বহু প্রতিষ্ঠানের নাম মুছে
ফেলা হয়। তিনি এই অভিযান পুনরায় চালু করবেন বলে ডা.মাহফুজকে আশ্বস্থ করেন।
এসময় দৈনিক বীর চট্টগ্রাম মঞ্চের সম্পাদক সৈয়দ উমর ফারুক, বাংলাদেশের মুক্তি
সংগ্রাম ও মুক্তিযোদ্ধা গবেষনা কেন্দ্র ট্রাস্ট চট্টগ্রাম, গণ অধিকার চর্চা
কেন্দ্র, বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশন চট্টগ্রাম মহানগর, জননেতা রহমত উল্লাহ ফাউন্ডেশন এর
পক্ষে রুবা আহসান, মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সন্তান কমান্ড, অভিনাশি ৭১ মুক্তিযুদ্ধ ও
প্রয়াত নেতা সন্তান পরিষদ,মুক্তিযোদ্ধা সাংস্কৃতিক কমান্ড চট্টগ্রাম জেলা,
চন্দ্র চৌধুরী স্মৃতি সংসদ ও ব্রিগেড ৭১ এর নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

