
বার্তা প্রতিনিধি: পাকিস্থানের প্রধান মন্ত্রী ইমরান খান শান্তির বার্তা দিতে পাকিস্তান আটক ভারতীয় পাইলটকে ছেড়ে দিলেও কাশ্মীর সীমান্তে প্রতিবেশী দুই দেশের সেনাদের মধ্যে পাল্টাপাল্টি গোলাগুলি অব্যাহত আছে। এতে অন্তত চারজন বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছেন। গুরুতর আহত হয়েছেন আরো চারজন। শনিবার এ তথ্য জানিয়েছেন কর্মকর্তারা।
Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!শুক্রবার রাত থেকে শনিবার ভোর পর্যন্ত পারমাণবিক ক্ষমতাধর দুই দেশের সেনাদের মধ্যে একে অপরের পোস্ট, গ্রাম ও সীমান্ত লক্ষ্য করে গোলাগুলির ঘটনা ঘটে। এতে ভারতের নিয়ন্ত্রণে থাকা কাশ্মীরে একই পরিবারের তিনজন নিহত ও একজন গুরুতর আহত হয়েছেন।
গত আটদিন ধরে কাশ্মীরের পুঞ্চ এবং রাজৌরি জেলার নিয়ন্ত্রণ রেখায় প্রতিবেশী দুইদেশের সেনাদের মধ্যে গোলাগুলি চলছে। নিয়ন্ত্রণ রেখার পাঁচ কিলোমিটারের মধ্যে অবস্থিত সব স্কুল অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। এদিকে পাকিস্তানের দাবি, ভারত তাদের আজাদ কাশ্মীরের প্রধান শহর কোতলিতে হামলা করলে ১৯ বছরের এক তরুণ নিহত হয়।
গত ১৪ ফেব্রুয়ারি বিকেলে সিআরপিএফের গাড়িবহরে ভয়াবহ জঙ্গি হামলায় ৪৪ ভারতীয় জওয়ান নিহত হন। জঙ্গিদের মদত দেয়ার জন্য পাকিস্তানকে অভিযুক্ত করে এর মোক্ষম জবাব দিতে গত ২৬ ফেব্রুয়ারি ভোরের দিকে পাকিস্তানের বালাকোট শহরে জঙ্গি গোষ্ঠী জইশ-ই-মোহাম্মদের আস্তানায় হামলা চালায় ভারতীয় বিমান বাহিনী। এর একদিন পরই বুধবার ভারতের দু’টি যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত ও পাইলট উইং কমান্ডার অভিনন্দনকে আটক করে পাকিস্তান। এরপর শুক্রবার বিকেলে ওই পাইলটকে মুক্তি দেয় পাকিস্তান। তবে ইমরান আশা করেন যে সব ভুলে কাশ্মীর নিয়ে একটি আলোচনা জুরুরী। যুদ্ধে হতাহত ছাড়া কোন দিন শান্তি আনতে পারেনা।
সূত্র: মানবকণ্ঠ

