Monday, July 27বাংলারবার্তা ২১-banglarbarta21
Shadow

অর্থনৈতিক প্রচুর সম্ভাবনাময় বাংলাদেশ: অর্থমন্ত্রী

বার্তা প্রতিনিধি: একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন পরবর্তী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয়
অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল (লোটাস কামাল) বলেছেন, বাংলাদেশ একটি উদীয়মান অর্থনৈতিক শক্তি। বর্তমান বিশ্ব অর্থনীতিতে বাংলাদেশ ‘নেক্সট ইলেভেন (এন-১১)’ দেশের অন্তর্ভুক্ত। বিশ্বে পোশাক রফতানিকারক দেশের তালিকায় বাংলাদেশের অবস্থান দ্বিতীয়।

Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!

দেশে কৃষিক্ষেত্রে যান্ত্রিক পদ্ধতির ব্যবহার আগেই শুরু হয়েছে। শিল্প এবং সেবা খাত ক্রমান্বয়ে সম্প্রসারিত হচ্ছে। আমাদের মানব সম্পদ দেশের ভেতরে এবং বাইরে থেকে অর্থনীতিতে ব্যাপক অবদান রেখে চলেছে।

তিনি বলেন, একটি দক্ষ, স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ পুঁজিবাজার যেকোনো দেশের শিল্পায়ন ও অর্থনৈতিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

মঙ্গলবার সংসদে অর্থমন্ত্রী ‘বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ ও এক্সচেঞ্জ কমিশনের বার্ষিক প্রতিবেদনে সংসদকে একথা জানান। এর আগে তিনি ‘বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ ও এক্সচেঞ্জ কমিশনের বার্ষিক প্রতিবেদন, ২০১৬-১৭’ সংসদে উপস্থাপন করেন।

প্রতিবেদনে লোটাস কামাল জানান, বাংলাদেশ বিশ্ব অর্থনীতিতে এন-১১ দেশের অন্তর্ভুক্ত হলেও এ দেশের আর্থসামাজিক উন্নয়নে পুঁজিবাজারের সম্ভাবনাকে কাজে লাগানোর ব্যাপক সুযোগ এখনও অব্যবহৃত রয়ে গেছে। কারণ বর্তমানে বাজার মূলধন ও জিডিপির অনুপাত মাত্র ১৯.৪৩ শতাংশ যা অনেক উন্নত দেশে শতভাগেরও বেশি।

প্রতিবেদনে মন্ত্রী কতিপয় এশিয়া প্যাসেফিক দেশের বাজার মূলধনের তুলনায় জিডিপির অনুপাতের তুলনামূলক চিত্র তুলে ধরে বলেন, দেশের আর্থিক ব্যবস্থার প্রধান দুটি শাখা হচ্ছে মুদ্রাবাজার ও পুঁজিবাজার। কোনো দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে পুঁজিবাজারের ভূমিকা ব্যাপক। সরকারের সার্বিক সহযোগিতায় বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন সকল স্টেকহোল্ডারদের নিয়ে পুঁজিবাজারের উন্নয়নে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

পুঁজিবাজারের মাধ্যমে বিনিয়োগকারীদের জন্য যেমন বিনিয়োগের ক্ষেত্রে তৈরী হয়েছে, তেমনি পুঁজিবাজার শিল্প প্রতিষ্ঠানের বিকাশে দীর্ঘ মেয়াদে পুঁজির সরবরাহ নিশ্চিত করছে। এতে জিডিপির প্রবৃদ্ধি অর্জন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও সামাজিক উন্নয়ন সাধিত হচ্ছে।

সংসদে উপস্থাপিত প্রতিবেদনটিতে অর্থমন্ত্রী জানান, বর্তমানে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জেন মোট শেয়ারহোল্ডার সংখ্যা ২৫০, যাদের মধ্যে ২৪১টি স্টেকহোল্ডার কমিশন থেকে সিকিউরিটিজ লেনদেনের জন্য নিবন্ধন সনদপ্রাপ্ত।

তিনি জানান, ২০১৭ সালের ৩০ জুন তারিখ পর্যন্ত ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের তালিকাভুক্ত সিকিউরিটির সংখ্যা ৫৬৩টি, যার বিপরীতে ইস্যুকৃত মূলধন ১১৬৫৫১.০৮ কোটি টাকা। তিনি সিকিউরিটি নিয়ন্ত্রনে সরকার কাজ করে যাচ্ছে বলে জানান।

সুত্র: দৈনিক নয়াদিগন্ত

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *