
শেখ তানহা, বার্তা প্রতিনিধি: রোড পারমিট বিহীন গাড়ী আর নাম্বার হিনীন গাড়ী এখন সারাদেশে বিপুল পরিমান হলেও সরকারী কোন নজরদারী নেই বললেও চলে। যার কারনে এখন সরকার সেগুলোর দিকে জোন নজর দিচ্ছে। বিদ্যুৎচালিত ইজি বাইক ও অন্যান্য যানবাহন প্রচুর পরিমাণে চলাচল করলেও সেগুলো বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) থেকে রেজিস্ট্রেশন পায় না। এতে সরকার বিপুল পরিমাণ ট্যাক্স থেকে বঞ্চিত হয়।
Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!সারা পৃথিবীতে বৈদ্যুতিক যানবাহন চলাচল বাড়ছে। কার্বন ডাই-অক্সাইড নির্গমণ হয় না বিধায় তেলচালিত যানবাহনের তুলনায় এসব গাড়ি পরিবেশসম্মত। আর সে বিবেচনায় বিশ্বের বহু দেশেই বিদ্যুৎচালিত যানবাহনকে প্রণোদনা দেওয়া হয়। এবার এসব বিষয় বিবেচনায় নিয়ে বিদ্যুৎচালিত (ব্যাটারি) যানবাহনকে নিবন্ধনের উদ্যোগ নিয়েছে বিআরটিএ। শীঘ্রই এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে জানা গেছে।
বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ গত বছর এক অনুষ্ঠানে জানান বৈদ্যুতিক গাড়ি প্রচলন করা সম্ভব হলে তা দুই বিলিয়ন ডলার জ্বালানি তেল আমদানি সাশ্রয় করবে।
অতীতে বিদ্যুতের সংকটের কারণে দেশে বৈদ্যুতিক গাড়ির প্রচলন একটি বড় বাধা ছিল। এখন বিদ্যুৎ সংকট না থাকায় সে সমস্যাও নেই। তাই অচিরেই সরাকারী ভাবে রেজিষ্টেশনের কাজ শুরু করবেন বলে জানান বিআরটিএর কর্মকর্তারা।
সূত্র: কালের কন্ঠ

