
বার্তা প্রতিনিধি: করোনা মোকাবেলায় সরকারী নির্দেষনা মোতাবেক চলছে লকডাউন। সরকারী নির্দেষ আছে যে যেখানে আছেন সেখানে থেকে ঈদ করার জন্য। তারপরও মানুষ নারীর টানে গ্রামের বাড়ীতে ছুটছে। এদিকে মুন্সীগঞ্জের শিমুলিয়া ঘাটে দিনে ফেরি চলাচল বন্ধ ঘোষণার পরও শনিবার সকাল থেকে হাজারো ঘরমুখো মানুষ আসতে শুরু করেছেন। তবে পুলিশের কঠোর অবস্থানের কারণে শিমুলিয়া ঘাটের প্রবেশমুখ থেকে তাদের ফিরে যেতে বাধ্য করা হচ্ছে।
Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!ঘরমুখো যাত্রীরা জানান, মাঝরাতের এ ঘোষণা তাদের অনেকেই জানেন না। ঘাটে এসে দেখেন ফেরি বন্ধ আর পুলিশ তাদের ঘাট এলাকা থেকে বের করে দিচ্ছে।
দেশের করোনাভাইরাসের বিস্তার রোধে সরকারি নির্দেশনা মোতাবেক হঠাৎ করেই শিমুলিয়া-বাংলাবাজার রুটে দিনে ফেরি চলাচল বন্ধ ঘোষণা করে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্পোরেশন (বিআইডব্লিউটিসি)। সংস্থাটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, শুধু রাতে পণ্যবাহী পরিবহন পারাপারের জন্য ফেরি চলাচল করবে।
বিআইডব্লিউটিসির পক্ষ থেকে বন্ধ ঘোষনা আসায় ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়ে, মাওয়া চৌরাস্তা ও শিমুলিয়া ঘাটের প্রবেশমুখে পুলিশ চৌকি দেখা গেছে। এসব টহল চৌকি থেকে দক্ষিণবঙ্গগামী যাত্রীদের ফিরিয়ে দেওয়া হচ্ছে।
এদিকে শিমুলিয়া ফেরি ঘাটের ট্রাফিক পুলিশের পরিদর্শক (টিআই) হিলাল উদ্দিন বলেন, শিমুলিয়া ঘাটের এক কিলোমিটার দূর থেকে যাত্রীদের ফিরিয়ে দেওয়া হচ্ছে। কোনো যাত্রীকে শিমুলিয়া ঘাট এলাকায় ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে না। এতদিন লঞ্চ ও স্পিডবোট চলাচল বন্ধ ছিল আর আজ থেকে দিনের বেলা ফেরি চলাচল বন্ধ ফলে কোনভাবেই নদী পার হতে পারবে না কেউ।
বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্পোরেশনের শিমুলিয়া ঘাটের ব্যবস্থাপক (বাণিজ্য) শাফায়াত আহমেদ জানান, শেষ রাত থেকে ফেরি চলাচল বন্ধ করে দিয়েছেন তারা। তবে সন্ধ্যার পর কয়টি ফেরি দিয়ে সার্ভিস চালু রাখা হবে এ ব্যাপারে এখনও পর্যন্ত তিনি কিছু জানেন না। তবে রাতে কয়টি ফেরী চলাচল করবে তার নির্দেষনা পেলেই জানবাহনের জন্য ফেরী চলাচল যথারিতি করবে বলে জানান ঘাটের ব্যবস্থাপক।
এদিকে ঘাট থেকে ফিরিয়ে দেয়া সব যাত্রীরাই তার একটু দুরে রাস্তার পাশ্বে গাছের নীছে দোকানের আবছায় অবস্থান করতে দেখা গেছে।

