
বার্তা প্রতিনিধি: আজ শুত্রবার জুমায়ার নামাজের সময় নিউজিল্যান্ডের ক্রাইস্টচার্চে দুটি মসজিদে সন্ত্রাসী হামলায় ৪৯ জন নিহতের আশঙ্কা করা হচ্ছে। দুই ঘটনায় আহত হয়েছেন বহু মানুষ। এছাড়া নিকটবর্তী একটি স্থানে বোমা পাওয়া গেছে। হামলাকারী একজন নিজের হেলমেট ক্যামেরায় অনলাইনে লাইভ করেছিল গুলিতে মানুষ হত্যার দৃশ্য।
Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!এক বন্দুকধারী নিজের নাম ‘ব্রেন্টন ট্যারেন্ট’ বলেছেন। ২৮ বছর বয়সের শেতাঙ্গ ওই হামলাকারীর জন্ম অস্ট্রেলিয়ায় বলে জানা গেছে।
বন্দুকধারীর হেলমেটে বসানো ক্যামেরায় হামলার পুরো ঘটনা ভিডিও হয়েছে এবং অনলাইনে সেটি সরাসরি সম্প্রচারিত হয়।
হামলার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে মোট চার জনকে আটক করেছে পুলিশ। তাদের মধ্যে তিনজন পুরুষ ও একজন নারী। তারা পুলিশের হেফাজতে রয়েছেন। আটক একজন অস্ট্রেলিয়ান নাগরিক বলে জানা গেছে।
এই বন্দুকধারী ক্রাইস্টচার্চের ডিন্স এভিনিউতে আল নূর মসজিদের দিকে গাড়ি চালিয়ে যাওয়ার সময় ‘লাইভ’ সম্প্রচার শুরু হয়। সে একটি ড্রাইভওয়ের কাছে তার গাড়ি পার্ক করে। গাড়িতে চালকের পাশের আসনে বেশ কয়েকটি আগ্নেয়াস্ত্র এবং প্রচুর গুলি দেখতে পাওয়া যায়। সেখানে পেট্রোল ভর্তি কয়েকটি ক্যানও ছিল।
ওই ব্যক্তি গাড়ি থেকে নেমে আগ্নেয়াস্ত্র হাতে মসজিদের দিকে হাঁটতে শুরু করে। মসজিদে ঢোকার পথেই সে একজনকে গুলি করে। ভেতরে ঢুকে এলোপাতাড়ি গুলি করতে শুরু করে।
সে বেশ কয়েকবার তার সেমি-অটোমেটিক আগ্নেয়াস্ত্রটিতে গুলি ভরে (রি-লোড) এবং এলোপাতাড়ি গুলি করে। এভাবে প্রায় তিন মিনিট ধরে গুলি করার পর সে মসজিদের সামনের দরজা দিয়ে বেরিয়ে যায়। রাস্তায় দিকে যাওয়ার সময় সে আশেপাশের গাড়ি লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে।
নিউজিল্যান্ডের পুলিশের পক্ষ থেকে ওই ভিডিও শেয়ার না করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
তবে নিউজিল্যান্ডের পুলিশ ঐ হামলাকারী সহ ৩ জনকে গ্রেফতার করে পুলিশ হেফাজতে নিয়েছেন।

