
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) আন্দোলনরত শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের ওপর পুলিশের হামলায় শতাধিক মানুষ আহত হয়েছেন। এদের মধ্যে অন্তত ৩৮ জনকে চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে, যাদের মধ্যে শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও সাংবাদিক রয়েছেন।
Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!আরো জানতে পড়ুন : আওয়ামী লীগের নিবন্ধন স্থগিত করেছে নির্বাচন কমিশন
বুধবার (১৪ মে) বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে কাকরাইল এলাকায় যমুনা ভবনের দিকে যাওয়ার সড়ক অবরোধ করে অবস্থান নেন আন্দোলনকারীরা। তারা জানান, দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে এবং শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার জন্য দায়ীদের শাস্তির আওতায় আনতে হবে।
জবি শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. রইছ উদ্দীন বলেন, “সরকারের এই ধরনের দমনমূলক আচরণে আমরা হতবাক। শিক্ষকদের উপর হামলা চালানো হয়েছে, শিক্ষার্থীদের রক্ত ঝরানো হয়েছে—আমরা এর বিচার চাই।”
আরো জানতে পড়ুন : মানিকগঞ্জ-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও কণ্ঠশিল্পী মমতাজ বেগম গ্রেফতার
পরে বিকেল ৩টার পর কাকরাইল মোড়ে এসে উপস্থিত হন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. রেজাউল করিম, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. সাবিনা শারমিন, ব্যবসায় অনুষদের ডিন মঞ্জুর মোর্শেদসহ বিভিন্ন অনুষদের শিক্ষকরা।
এর আগে, সকাল ১১টায় তিন দফা দাবিতে প্রধান উপদেষ্টার বাসভবনের উদ্দেশে লং মার্চ শুরু করেন জবি শিক্ষার্থীরা। মৎস্য ভবন অতিক্রম করে কাকরাইল মোড়ে পৌঁছালে পুলিশ লাঠিচার্জ, টিয়ারগ্যাস, সাউন্ড গ্রেনেড ও গরম পানি ছুড়ে আন্দোলনকারীদের ছত্রভঙ্গ করে। এ সময় শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও সাংবাদিকসহ বহু মানুষ আহত হন।
আরো জানতে পড়ুন : *আওয়ামী লীগের বিচার ও সংস্কার ছাড়া দেশে নির্বাচন নয়: এনসিপি*
আহতদের মধ্যে অনেককে তাৎক্ষণিকভাবে ঢামেক হাসপাতালে নেওয়া হয়, যেখানে বর্তমানে ৩৮ জন চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তাদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা গুরুতর।
**আন্দোলনকারীদের তিন দফা দাবি:**
১. ২০২৫-২৬ অর্থবছর থেকে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ৭০ শতাংশ শিক্ষার্থীর জন্য আবাসন বৃত্তি কার্যকর করা।
২. বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রস্তাবিত পূর্ণাঙ্গ বাজেট কোনো কাটছাঁট ছাড়া অনুমোদন করা।
৩. জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ক্যাম্পাস প্রকল্পকে একনেক সভায় অনুমোদন দিয়ে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে বাস্তবায়ন করা।

