
বিশ্বে প্রতিদিনই হাজার হাজার অপরাধিকে বন্দি করা হয়। এরই মধ্যে ইতালি প্রথমবারের মত কারাবন্দিরে জন্য খুলছে অন্তরঙ্গ সময় কাটানোর জন্য গোপন কক্ষ। গত শুক্রবার দেশটির মধ্যঞ্চলের আমব্রিয়ার একটি কারাগারে আনুষ্ঠানিকভাবে সেক্স রুম নামে এই কক্ষের যাত্রা শুরু হয়। উদ্ভোধনের শুরুতেই এক কারা বন্দি তার এক নারী সঙিকে নিয়ে ঐ রুমে প্রবেশ করেন।
Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!আরো জানতে ক্লিক করুন :আসিফ মাহমুদ ঢাকা থেকে নির্বাচন করবেন কিন্তু দল নির্দিষ্ট করেননি
ইতালির সাংবিধানিক আদালত এই রায় দিয়েছেন। এরপরই কিছু কারা বন্দিকে এই সুযোগ করে দেওয়া হয়।
আমব্রিয়ার কারাবন্দিদের অধিকার বিষয়ক কর্মকর্তা কাফেরিও বলেন আমরা খুব খুশি। সবকিছু বেশ ভালভাবেই হয়েছে। তবে এটি সঙ্গে যেন সব গোপনিয়তা নিশ্চিত থাকে। তিনি আরো বলেন আমরা বলতে পারি একটি পরীক্ষা বেশ ভালোভাবেই শেষ হয়েছে। আগামী কয়েক দিন এটি অনবরত চলতে থাকবে। শুধু ইতালির ইতিহাসে নয় বিশ্বের ইতিহাসেই এটি প্রথম কোন কারাগারে সেক্স রুম চালু হলো।
আরো জানতে ক্লিক করুন : ঢাকার আলোচিত প্রার্থী ও নারী আসন পেলেন ১০টি
ইতালির এক বন্দির সংঙি কারাগারে দেখা করতে গেলে তিনি তার অভিমত কারাগারের অভিভাবককে জানান। কিন্তু কারাগারের কর্মিরা কোন কিছুতেই এই সুযোগ করে দিতে নারাজ ছিলেন। তাই ঔ বন্দির সংঙি আদালতে আরজি করলে দেশটির মধ্যঅঞ্চলিয় তেরনি শহরের একটি কারাগারে এক বন্দি তার সঙ্গীর সঙ্গে একটি বিশেষ কক্ষে সাক্ষাতের সুযোগ পান।
আরো জানতে ক্লিক করুন : ২৩৭ আসনে বিএনপির প্রার্থী চুড়ান্ত
জানা গেছে ইতালির সাংবিধানিক আদালতের একটি ঐতিহাসিক রায় অনুযায়ী এ সুযোগ দেওয়া হয়েছে। রায়ে বলা হয় কারাবন্দিদের তাদের স্বামী, স্ত্রী বা দীর্ঘমেয়াদী সঙ্গীদের সঙ্গে ব্যাক্তিগত ভিজিট অনুমোদিত। ইউরোপের অনেক দেশেই এ ধরনের করজুগাল ভিজিট অনুমোদিত যেমন ফ্রান্স, জার্মানী, স্পেন, সুইডেন ও নেদারল্যান্ড।
কাফেরিও আরো বলেন আমরা সন্তুষ্ট, কারন প্রথম সাক্ষাৎটি শান্তিপূর্নভাবে সম্পূর্ণ হয়েছে। তবে ব্যাক্তিগত গোপনীয়তা রক্ষার বিষয়টি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে।
কাফেরিও আরে বলেন এট এক ধরনের পরীক্ষামূলক উদ্যেগ ছিল এবং এটি সফল হয়েছে। সামনের দিনগুলোতে এরকম আরো সাক্ষাতের সুযোগ করে গেওয়া হবে।
এদিকে বিচার মন্ত্রনালয়ের নতুন বির্দেষনায় বলা হয়েছে যেসব কয়েদিকে এই সুযোগ দেওয়া হবে তার দু-ঘন্টার জন্য একটি নির্দিষ্ট কক্ষে অবস্থান করতে পারবে এবং সেখানে থাকবে একটি বিচানা ও একটি ওয়াশরুম। নিরাপত্তার জন্য কক্ষের দরজা খোলা রাখা হবে যাতে জরুরী প্রয়োজনে কারাগার কর্তৃপক্ষ হস্তক্ষেপ করতে পাবে। তবে সব কারাবন্দিদের জন্য বিষয়টি সুখকর হবে যাতে করে পরিবারের সঙ্গে গোপন এবং বিষয়ভিত্তিক আলোচনার সুযোগ পায় এমনি জানিয়েছেন কারা কর্তৃপক্ষ।

